হালাকুর নৃশংসতার ভারে, দজলা-ফোরাত আজও কাঁদে

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০২১

মো. খবির উদ্দিন : 

২৯ জানুয়ারি ১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ ৬৫৫ হিজরি। বাগদাদীদের ভাগ্যাকাশে এক টর্নেডোর অস্তিত্ব উপলব্ধি করল বাগদাদীরা। না এটা টর্নেডো নয়। এটা টর্নেডোর চেয়েও ভয়ঙ্কর আরও নিষ্ঠুর রক্ত পিপাসু মানবজাতির কলঙ্ক। যিনি কি-না এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ লক্ষ বাগদাদীদের রক্ত দিয়ে তাদের শেষ পরিণতি লিখেছিলেন। সেই দানব হালাকু খান মতান্তরে ১৩ ফেব্রুয়ারি ১২৫৮ খ্রি. জ্ঞান, সভ্যতা আর শিল্প-সংস্কৃতির অন্দরমহল মুসলিম সভ্যতার গর্বের ধন আরব্য উপন্যাসের নগরী বাগদাদের দজলা-ফোরাতের শান্ত শীতল পানি রক্তাক্ত করে দিয়েছিলেন বাগদাদীদের রক্তে। কুঁজো হয়ে গিয়েছিল বাইতুল হিকমার বইয়ের ভারে দজলা-ফোরাত। সাম্রাজ্যবাদের লোলুপ দৃষ্টির বলি নিরীহ মুসলিম নরনারী। শিশুদের আর্তচিৎকার আর ধ্বংসলীলার দোর্দন্ডপ্রতাপে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। টানা এক সপ্তাহব্যাপী চলে নির্দয়, পাশবিক গণহত্যা। পৃথিবী ধ্বংস পর্যন্ত এমন অবিবেচক, দুর্ধর্ষ, যুদ্ধংদেহী জাতিসত্তা আর আসবে না। নির্বুদ্ধিতা, মূর্খতা, অজ্ঞতা আর শক্তি মত্তার মিশেলে ফলাফল হিসেবে মঙ্গোলদের হাতে দুনিয়ার অসংখ্য লোক নিহত হয়েছে। কিছু দিনের জন্য খলিফা শূন্য করে দেয়া হলো মুসলিম বিশ্বকে। বাগদাদ কোন সাধারণ শহর ছিল না। বাগদাদ ছিল আউলিয়াগণের শহর। বাগদাদ ছিল ইসলামি সভ্যতার প্রতীক। খিলাফতের প্রতীক। মধ্য যুগের জ্ঞান বিজ্ঞান আর চরম উৎকর্ষের প্রতীক।
বাগদাদকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া এ নেতা হালাকু খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের নাতি। ১২১৭ খ্রিষ্টাব্দে তার জন্ম হয়। তার পিতা ছিলেন চেঙ্গিস খানের ছোট ছেলে তুলি এবং মায়ের নাম ছিল বেকি। মধ্য এশিয়ার মরু অঞ্চল ও পার্বত্যভূমির অজানা অনেক যাযাবরদের মধ্যে মঙ্গোলরা ছিল একটি। অনেক নৃতত্ত্ববিদ মনে করেন, মঙ্গোলদের আদি নিবাস মোঙ্গোলিয়ায়। কিন্তু চৈনিক ঐতিহাসিকদের মতে, চৈনিক শব্দ মংগ থেকেই মঙ্গোল নামের উৎপত্তি, যার অর্থ সাহসী। কাম্পিয়ান সাগরের তীর ঘেঁষে বসবাস করা ‘হন’ জাতির বংশধর ছিল মঙ্গোলরা, এমন তথ্য স্বীকার করেছেন অনেক ঐতিহাসিক। তাদের প্রধান পেশা ছিল লুটতরাজ ও পশু শিকার। পশুর চামড়া দিয়ে তারা তাদের বস্ত্রের চাহিদা মেটাত। তাদের নির্দিষ্ট কোন ধর্ম ছিল না। কেউ সূর্য পূজারি, কেউ খ্রিস্টান, কেউবা বৌদ্ধ আবার কিছুসংখ্যক মুসলিমও ছিল। মঙ্গোল জাতির পিতা চেঙ্গিস খান ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন একজন সূর্যপূজারি। মঙ্গোলরা যা খুশি তা ভক্ষণ করত। জাতিতে একরোখা মঙ্গোলরা হয়ে উঠেছিল সমরবিদ্যায় বিশেষ পারদর্শী। প্রস্তর যুগের মানুষের মতো ছিল তাদের স্পৃহা, কর্মপন্থা। চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা রক্তের সাগরে জাহাজ চড়িয়ে দখল করত নতুন নতুন এলাকা। ‘মর নয় আত্মসমর্পণ কর’ এই নীতির উপর ভর করে আধিপত্য কায়েম করেছিল পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে পশ্চিমে কৃষ্ণসাগর এবং উত্তরে তুর্কিস্তান হতে দক্ষিণে সিন্ধু পর্যন্ত। নিহত হয়েছে ইউরোপ এশিয়ার কোটি মানুষ।
অষ্টম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত বাগদাদের শৌর্যবীর্য এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, সাম্রাজ্যবাদীরা এর উপর হানা দেওয়ার মোক্ষম সুযোগ খুঁজতে থাকে। আরব্য রজনীর এ শহর প্রতিষ্ঠার পর থেকে অর্থাৎ ৭৬২ সালে আব্বাসী খলিফা মনসুর যখন এ নগরী প্রতিষ্ঠা করেন ঠিক তার পরবর্তী পাঁচশত বছর আপন গাম্ভীর্য আর গৌরবে সমুজ্জ্বল ছিল মঙ্গোল নেতা হালাকু খানের ধ্বংসের পূর্ব পর্যন্ত। ‘বায়তুল হিকমাহ’ ছিল তৎকালীন সময়ে প্রথিতযশা সব পন্ডিতদের আঁতুড়ঘর। দুনিয়ার সর্বকোণের বিভিন্ন ভাষার বই অনুবাদের জন্য বিখ্যাত ছিল দারুল হিকমাহ। যুগের বিচারে এ গ্রন্থাগারকে মানব সভ্যতার জ্ঞানের গুদাম বললেও অত্যুক্তি হবে না। এই লাইব্রেরির কারণে পৃথিবীব্যাপী বাগদাদের আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল। তার সাথে আব্বাসী খেলাফতের গৌরবের ঝান্ডাও সগৌরবে বহন করে চলছিল বাগদাদ। সব কিছুই ঠিক ঠাক চলছিল। কিন্তু হালাকু খান গুপ্তঘাতক নির্মূল সংক্রান্ত কাজে বাগদাদের খলিফা আল মুসতাসিম বিল্লাহর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য না পাওয়ার কারণে মঙ্গোলরা দাবি করেন খলিফা মসনদে থাকার তার নীতিগত যোগ্যতা হারিয়েছেন। বাগদাদের কতিপয় কপট বিশ্বাসী মোনাফেক হালাকু খানের সাথে মিলে যায় এবং তাঁকে বাগদাদ আক্রমণে উদ্বুদ্ধ করে। তখন বাগদাদে অধিকাংশ লোক ছিল সুন্নি। কিন্তু শিয়াদেরও একটি দল ছিল, যাদের সাথে সুন্নিদের এক দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ বিরাজ করছিল। শিয়ারা আলাবীদের ইমামতের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ছিল এবং আব্বাসীয় খেলাফতের বিরুদ্ধে তারা তৎপর ছিল। খলিফা আল মুসতাসিমের আমলে একবার উভয়পক্ষে তুমুল যুদ্ধ হয়। খলিফাতনয় আবু বকরের ইঙ্গিতে সুন্নিরা কার্খ নামক শিয়া মহল্লা লুট করে এবং মহল্লাবাসীকে মারধর করে। এর প্রতিশোধ নিতে খলিফার কট্টর শিয়াপন্থী উজিরে আজম ইবনে আলকামি রাষ্ট্রের সকল দিক থেকে খলিফার দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফিরিয়ে রাখেন। রাষ্ট্রের সঠিক পরিস্থিতি খলিফাকে না জানিয়ে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের জন্য ইবনে আলকামি খলিফাকে নিজের মনগড়া কল্পকাহিনী শোনাতেন। হালাকু খানকে বিনা প্রতিবন্ধকতায় বাগদাদে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে আলকামি সৈন্য সংখ্যা হ্রাস করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নৈতিকভাবে দুর্বল খলিফা তার পরামর্শ গ্রহণ করেন এবং সেনাবহিনী অর্ধেকে নামিয়ে আনেন। বিশ্বাসঘাতকের কোন আলাদা রং হয় না। এরা অন্য সকলের মতোই একইভাবে চলনে বলনে। এরা সর্বনাশের জন্য ঘাপটি মেরে অপেক্ষা করে। এমনি এক বিশ্বাসঘাতক ছিলেন উজিরে আজম ইবনুল আলকামি।
তাতারীরা বাগদাদ আক্রমণ করবে না বলে খলিফার ধারণা ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শোচনীয় অবস্থার প্রেক্ষাপটে ইবনে আলকামির আহ্বানে হালাকু খান তিন লক্ষাধিক সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে বাগদাদ অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। সামরিক দিক দিয়ে অরক্ষিত ও অপ্রস্তুত বাগদাদের ক্ষুদ্র দুর্বল বাহিনী কোন প্রতিরোধই গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বাসঘাতক আলকামি ছিল মঙ্গোলদের গুপ্তচর। ওদিকে শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে আব্বাসীয়দের পক্ষ থেকে একদল প্রবীণ পরামর্শকের মধ্যস্থতা করার জন্য হালাকুর কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু হিংস্র হালাকু প্রবীণ এ দলের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে। বেজে উঠে যুদ্ধের দামামা। দায়িত্বজ্ঞানহীন আমুদে খলিফা মতান্তরে ১৩ ফেব্রুয়ারি বাগদাদের নগর ফটক খুলে দিয়ে তার যাবতীয় ধন সম্পদ সঁপে দিয়ে আত্মসমর্পণ করে বসেন। ক্ষুধার্ত আর উন্মত্ত মঙ্গোল বাহিনী তাদের নিষ্ঠুরতার চরমসীমা অতিক্রম করে শেষ আব্বাসী খলিফাকে তারা বস্তাবন্দি করে তার উপর ঘোড়া চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করল। তবে পর্যটক মার্কো পোলোর বর্ণনা অনুযায়ী খলিকাকে অভুক্ত রেখে মেরে ফেলা হয়েছিল। শুরু হয় হালাকু বাহিনীর গণহত্যা। জ¦ালাও পোড়াও। মানুষের রক্ত গড়িয়ে শহর থেকে দজলা-ফোরাত রক্তাক্ত হয়েছিল। এই নির্মমতা চলে সপ্তাহব্যাপী। বাগদাদের পতনের পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ ছিল খলিফা আল-মুসতাসিম বিল্লাহর রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সম্পর্কে অসাবধান থাকা। আব্বাসীয় খেলাফতের ঘোর বিরোধী এমন একজন লোককে অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করা। যিনি কি-না গোপনে এর ধ্বংস কামনা করতেন। খলিফা আল মুসতাসিমের পিতা মোস্তানসের বিল্লাহ ছিলেন ৩৬তম আব্বাসীয় খলিফা। তিনি ছিলেন প্রচন্ড আল্লাহ ভীরু ও দানবীর। এমনি পিতার সন্তান ছিলেন আল মুসতাসিম। তাঁর কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতারও কোন গুরুত্ব ছিল না। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি বিশেষ কোন খোঁজ রাখেননি। ইবনে আলকামির ওপরই ছিলেন তিনি সম্পূর্ণ আস্থাবান।
বাগদাদের পতন ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে এমন আঘাত যা মানব জাতিকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছিল। প্রাচীন যুগ ও মধ্য যুগের পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞান বিজ্ঞানের এক সংগ্রহশালা ছিল বাগদাদের বাইতুল হিকমাহ। সেই খলিফা হারুন অর রশীদের আমল থেকে প্রায় সাড়ে চারশত বছর ধরে গ্রিস, রোম, ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, মিশর, সিরিয়া, তুর্কিস্তান, প্রাচীন ভারত ও চীনের যাবতীয় জ্ঞান ভান্ডার। আব্বাসীয় খলিফারা প্রায় সাড়ে চারশত বছর ধরে জমা করেছিল বাইতুল হিকমাতে। এখান থেকেই মধ্যযুগের মানব জাতির সেরা আবিষ্কারগুলো হয়েছিল। ধারণা করা হয় তৎকালীন পৃথিবীর প্রতি দশটি বইয়ের নয়টি ছিল বাইতুল হিকমাতে। মঙ্গোলদের কাছে এ সবের কোন মূল্য ছিল না।
বাগদাদ তার উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছায় খলিফা হারুন অর রশীদের আমলে। অতঃপর প্রায় দুইশত বছর বাগদাদই ছিল ইসলামি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বুদ্ধিভিত্তিক ও সামরিক কেন্দ্র। বাগদাদ ছিল খলিফার শহর। ত্রয়োদশ শতাব্দীর আব্বাসীয় খেলাফত ছিল সত্যিকার অর্থে সপ্তম শতাব্দীর খোলাফায়ে রাশেদার এক অযোগ্য উত্তরাধিকারী মাত্র। যা না বহন করত খলিফার আধ্যাত্মিকতা আর না পালন করতে সক্ষম ছিল খেলাফতের রাজনৈতিক দায়িত্ব। তবুও খেলাফতের শেষ চিহ্ন হলেও টিকে ছিল আব্বাসীয়রা। এভাবে খেলাফতকে যারা অবিনশ্বর ভাবত তাদের ঘোর ভাঙল এক তীব্র ধাক্কার মধ্য দিয়ে। এ আঘাত আর কখনই পুরোপুরি সারেনি।
ঐতিহাসিক বরাতে জানা যায় বাগদাদের লাইব্রেরি ’বাইত আল হিকমাহ’ বা ’জ্ঞানের ঘরে’ প্রায় বিশ লক্ষ বই ছিল। কথিত আছে হিংস্র মঙ্গোলীয়ান সৈন্যরা নদী পার হওয়ার জন্য ঐ লাইব্রেরির বই নদীতে ফেলে সেতু তৈরি করেছিল। বিশ্বের জ্ঞান বিজ্ঞান, শিল্পকলা ও শিক্ষা-সংস্কৃতির তীর্থক্ষেত্র ছিল বাগদাদ। এ সম্বন্ধে পি. সাইকস বলেন, “যে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা মুসলিম রাজ্যসমূহের এবং পরোক্ষভাবে সমগ্র দুনিয়ার অগ্রগতিকে রুদ্ধ করে দিয়েছিল”, তার প্রকৃতি অনুধাবন করা কষ্টকর এবং অতিরঞ্জিত করা অসম্ভব।” আমীর আলীর মতে, “বাগদাদ আক্রমণে যে ধ্বংসলীলা হয়েছে তা থেকে অন্যান্য শহরে কি ঘটেছিল তার আভাস পাওয়া যায়। তিনদিন ধরে শহরের পথে রক্তের স্রোত প্রবাহিত হয়েছিল। ইবনে খলদুনের মতে, মোঙ্গলদের আক্রমণের ফলে ২০ লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে (মতান্তরে) ১৬ লক্ষ মারা যায়। বর্ণিত আছে যে, তাতারী হিংস্র পশুরা যখন বাগদাদের অধিবাসীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালাতে দিশাহারা হয়ে যায়, তখন হালাকু খানের নির্দেশে লাশগুলো গণনা করা হলে দেখা যায় মতান্তরে ১৮ লাখ লাশ রক্ত স্রোতে ভাসছে। এই আক্রমণের পরে বাগদাদ মঙ্গোলীয়দের অধিকারভুক্ত ও মুসলিম বিশ্ব কিছুকালের জন্য খলিফাশূন্য হয়ে পড়ে।
বাগদাদ দখলের পরে মঙ্গোলরা মসজিদ, গ্রন্থাগার, হাসপাতাল, রাজপ্রসাদে লুট-তরাজ চালায়। ধবংস করা হয় স্মৃতিসৌধ, প্রাসাদ ও মসজিদ। অক্ষত মসজিদগুলোকে বানানো হয় মদের আড্ডাখানা। বহু প্রখ্যাত পন্ডিত ও বৈজ্ঞানিক নিহত হন। এভাবে মুসলিম বিশ্বের স্বপ্নরাজ্য বাগদাদে জ্ঞান বিজ্ঞান ও শিক্ষা সংস্কৃতির যে দ¦ীপ শিখা প্রজ্বলিত হয়েছিল তা মুহূর্তে নির্বাপিত হয়ে যায়। তৎকালীন বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্পকলা ও শিক্ষা সংস্কৃতির তীর্থক্ষেত্র বাগদাদ ধ্বংস সম্পর্কে বলা যায়, এটা শুধু মুসলিম বিশ্বের নয় সারা বিশ্বের অগ্রগতিকে ব্যাহত করেছিল।

লেখক : কলামিস্ট ও
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, দৈনিক ভোরের দর্পণ
E-mail: [email protected]
০১৭১১-২৭৩২৮০

আপনার মতামত লিখুন :