ইউ হ্যাভ লস্ট ইউর মাস্টার্স

প্রকাশিত : ১৮ আগস্ট ২০২০

মো. খবির উদ্দিন : করোনা ভাইরাস ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। থমকে গেছে অর্থনীতি, থমকে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা, থমকে গেছে গোটা দেশ, থমকে গেল গোটা পৃথিবী। মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোন কোলাহল। শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে যাওয়ার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মহামারির মধ্যে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রি করে গোটা দেশে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে রিজেন্টের ‘সাহেদ করিম’। বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ইমেজ তলানিতে নামিয়ে দিয়েছে। একইসাথে জসিমের এমবিবিএসের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা বেরিয়ে আসায় অস্থির করে দিয়েছে গোটা দেশকে। এই করোনাকালীন মুহূর্তে সরকারকে অপ্রত্যাশিত সংকটে ফেলে দিয়েছে এই সাহেদ-জসিমসহ কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল।

করোনা ভাইরাসের সনদ জালিয়াতির অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ৬ জুলাই র‌্যাব উত্তরা রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। প্রায় ৯ দিন আত্মগোপনে থাকার পর বোরকা পরে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বে-আইনি অস্ত্রসহ র‌্যাব রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তার করে। সাহেদ করিম করোনার সার্টিফিকেট জালিয়াতির মাধ্যমে সাড়ে ছয় কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। সাহেদের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগের পাহাড়। শুধুমাত্র করোনা ভাইরাসের সার্টিফিকেট নকলের দায়ে ১৬০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। টকশো স্টার সাহেদকে গ্রেপ্তারের পরে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়েছে তার বিরুদ্ধে। যারা মুখ খুলতে ভয় পেতো তারা মুখ খুলেছে। জাল টাকা তৈরি, পাওনাদারকে জাল টাকা ধরিয়ে দেয়া, মোটা দাগের মালামাল পার্চেজ করে টাকা না দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার রয়েছে নিজস্ব টর্চার সেল। টর্চার সেলে নিয়ে নির্মম প্রহরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎসহ অসংখ্য নিরীহ মানুষের টাকাও আত্মসাৎ করেছে সাহেদ। এরা টকশো করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। যাদের বোরকা পরতে আত্মসম্মানে লাগে না তারা জাতিকে কি জ্ঞান দিবে। এদের টকশোর মাধ্যমে জাতি বিভ্রান্ত হচ্ছে। এ রকম অসংখ্য সাহেদ রয়েছে এদেশে। কেউ বিধি বাম বলে আটকে যাচ্ছে অন্যরা বিভিন্ন আস্তিনির নিচে লুকিয়ে রয়েছে। চিরুনী অভিযান হলে সাহেদ ও ডা. সাবরিনার মতো আরও বহু আটকে যাবে। তবে নির্ভেজাল ও ফলপ্রসূ অভিযান হওয়া উচিত। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে দুর্নীতির মূল উৎপাটন করা একান্ত প্রয়োজন। এই বর্ণচোরদের ঠেকাতে পারলে দেশ ঘুরে দাঁড়াবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত অভিযান অব্যাহত রাখা।

একটি জাতিকে সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় কঠোরতা অনিবার্য। আর এ দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হয়। এক্ষত্রে নো কম্প্রোমাইজ পদ্ধতি একান্ত প্রয়োজন। গত এক বছর পূর্বেও আমরা দেখেছি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁস হওয়া রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়েছিল। অনেক কমিটি করেও এর হ্রাস টানা সম্ভব হচ্ছিল না। সেই অপকর্মের মাস্টার মাইন্ড জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ওরফে মুন্নু এমবিবিএস ও ডেন্টালের প্রশ্ন ফাঁসের দায়ে আটক হয়েছে। গত ২৮ জুলাই ২০২০ দৈনিক করতোয়ার রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যায়, স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর প্রেসের মেশিনম্যান আবদুস সালাম জসিমের খালাতো ভাই। জসিম সালামের মাধ্যমে সারা দেশে একটা সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। প্রথমে গত ২০ জুলাই ২০২০ মিরপুর থেকে সানোয়ারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সানোয়ারের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ওরফে মুন্নু, পারভেজ খান, জাকির হোসেন ওরফে দিপু ও মোহাইমিনুল ওরফে বাঁধন নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে সিআইডির এসআই প্রশান্ত কুমার শিকদার বাদী হয়ে মিরপুর থানায় পাবলিক পরীক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন মেডিকেল ও ডেন্টালের প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত রয়েছে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে জসিম এই খাত থেকে ৫০ কোটি টাকা কামিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। জসিমের রয়েছে ২টি ছয়তলা বাড়ি, তিনটি গাড়ি গার্মেন্টসহ আরও অনেক কিছু। বছরের পর বছর এই চক্রটি প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত। মেডিকেলে ভর্তি নিশ্চিত জেনে এই ফাঁদে অসংখ্য শিক্ষার্থী জড়িয়েছে। এটা মারাত্মক অন্যায়। এই প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে মেডিকেলে ভর্তি হলে এরা কোনদিনই যোগ্য ডাক্তার হবে না। অপেক্ষাকৃত মেধাবীরা ছিটকে যাচ্ছে এই প্রক্রিয়ার মারপ্যাঁচে।

এই জসিম কীভাবে প্রশ্ন যোগাড় করে। কীভাবে এই প্রশ্নের সন্ধান পায়। এর নেপথ্যে কারা কাজ করছে। কীভাবে গোপন কুঠরি থেকে শুধুমাত্র একজন মেশিনম্যানের মাধ্যমে এই প্রশ্নপত্রগুলো আগাম বেরিয়ে যায় এর অধিকতর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এই গ্যাংদের সংখ্যা কত। এই প্রক্রিয়ার সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এই শাস্তি এমন হওয়া উচিত যাতে গোটা জাতি শতাব্দীর পরেও মনে রাখতে পারে। এরা দেশের চরম শত্রু। এরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসকারী বাহিনী। কোনভাবেই এদের ছাড় নয়। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের অন্যায় কাজ করার পূর্বে এই চরিত্রের লোকগুলো হাজারবার থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হয় সেই ধরনের কঠিন শাস্তির আওতায় এদের নিয়ে আসতে হবে। এদের ফাঁদে অনেক মেধাবী ছাত্ররাও আটকে যাচ্ছে। যাদের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা রয়েছে কিন্তু ভর্তি হতে পারেনি, তারা অবশ্যই কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি নিয়ে অন্য যে কোন একটা পেশায় কাজ করে জীবন নির্বাহ করতে পারবে। কিন্তু এই কলঙ্কিতভাবে অর্থের বিনিময়ে ভর্তি হওয়ার কারণে যদি সেই ভর্তি বাতিল হয় তাহলে ঐ ছাত্রের সমস্ত কুলই হারাতে হয়। লেগে যাবে ছাত্রের গায়ে সারা জীবনের জন্য কালো দাগ। এই প্রশ্ন ফাঁসের কারবার ঘটানোর দায় স্বাস্থ্য বিভাগ চাইলেও নিজেদের কাঁধ থেকে নামাতে পারবে না। এই কলঙ্কিত ইতিহাস জাতি চাইলেও ভুলতে পারবে না। এই সেক্টরের আবর্জনা পুরোপুরি দূর করা না গেলে পুরো দেশই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়বে।

গত ২০ জানুয়ারি ২০২০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৬৭ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে। তাদের মধ্যে প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির জন্য ৬৩ জন এবং অস্ত্র ও মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্য ৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ছাত্রগুলোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার। গোটা পরিবারের স্বপ্ন ধূলিসাৎ। এই শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে বিভিন্ন ইয়ারে ছিল। এরা নিজ হাতে নিজের জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে। কোনই প্রয়োজন ছিল না এ কাজের। ছাত্র জীবনে প্রতিটা ছাত্রই শিক্ষকদের কাছে নীতি ও আদর্শের কথা শুনতে শুনতে একসময় নিজের জীবনকে আদর্শ ও নীতিতে গড়ে তোলার জন্য প্রত্যয়ী হয়ে ওঠে। যাদের শুরুটারই কোন বৈধতা নেই এবং অপরাধে মোড়ানো তাদের মনে আদর্শ কখনও বাসা বাঁধতে পারে না। এই অপরাধবোধ একজন বিবেকবানকে আমৃত্যু জ¦ালিয়ে পুড়িয়ে অঙ্গার করে দিতে থাকে। প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে ভর্তি হয়ে কোন উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করা মারাত্মক অপরাধ। এই অপরাধ বুঝতে বিবেক লাগে। যারা প্রশ্ন ফাঁসকারী এবং যারা গ্রহণকারী উভয়ের চরিত্রের কোন সংঘর্ষ নেই। এটা অন্যায় এবং বিরাট অন্যায়। এই ধরনের কাজে যে অভিভাবকগণ উৎসাহিত করেন, প্রশ্রয় দেন, তারা কোনভাবেই সন্তানের এই বিরাট ক্ষতির দায় এড়াতে পারেন না। নিজের রুচির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। জোর করে কাউকে গাছে তুলে দেয়ার দরকার নেই। যোগ্যতা থাকলে এমনিতেই হবে। জালিয়াতির মাধ্যমে যারা গাছের মগডালে চড়তে চেয়েছেন এবার গাছ থেকে পড়ে কোমর ভেঙে গেছে। জীবনে আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। এই মারাত্মক অন্যায় পদ্ধতিতে যারা দেশের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে বা অন্যায়ভাবে প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে চাকরি নিয়েছেন তারা অপেক্ষা করতে থাকেন তাদের দরজায়ও যেকোন সময় এই অশনিসংকেত এসে কড়া নাড়তে পারে। অযোগ্য যে কেউ অবৈধভাবে যোগ্যদের জায়গা দখল করলে তাদের শাস্তি পাওয়া অনিবার্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ পরীক্ষার সময় একটু অনিয়ম দেখলে বহিষ্কার করতে বিলম্ব করেন না। সেখানে অবৈধ উপায়ে ভর্তির পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে তার দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি। শিক্ষকগণ পূর্ব থেকেই ছাত্রদের উপদেশ দিতে থাকেন। শিক্ষকদের জ্ঞানের গভীরতা ও আদর্শ একজন ছাত্রের মানসিক ভিত এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যেখানে পরীক্ষার সময় কেউ অসৎ উপায় অবলম্বন নিজের আত্মসম্মান বিনষ্ট মনে করে। শিক্ষকগণ কাউকে ছাড় দিবেন না সে হুঙ্কার পরীক্ষার পূর্বে বহুবার প্রত্যেকের কানে পৌঁছে দেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে কোন ছাড় কাউকেই দেয়া হয় না। তবে বিচ্ছিন্ন ঘটনা কোন ইতিহাস বা দলিল নয়। যেটা জাতির বিবেককে নাড়া দেয় পরবর্তীতে সেটাই ইতিহাস হয়। একটা দৃষ্টান্ত উল্লেখ না করলেই নয়। আমাদের এমএ পঞ্চমপত্র পরীক্ষা চলছে। কেউ কাউকে ছাড় নয় এমনকি কাউকে সহযোগিতাও নয়। প্রত্যেকেই নিজের সবটুকু বিলিয়ে লড়াই। আমাদের ডিপার্টমেন্টের মধ্যে সবচেয়ে মেজাজি ও প্রবীণ শিক্ষক প্রফেসর আনসার উদ্দীন স্যার সেদিন ভিজিটর ছিলেন। তিনি বারবার আমাদের এদিক-সেদিক মহড়া দিচ্ছেন। কোন রকম চেয়ারে বসাবসি নেই। স্যার কোন অন্যায়ের গন্ধ পেয়েছেন কিনা তাই এত ছোটাছুটি করছেন। স্যার আমার পেছনের ছেলেকে টার্গেটে ফেলে দিয়েছেন। সরাসরি ওর কাছে যাচ্ছেন না। অল্প কিছু পরেই স্যার আমার পাশে এসে থমকে দাঁড়ালেন। বললেন কি লিখছ। আমি বললাম স্যার প্রায় শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। শেষ প্রশ্ন চলছে। স্যার পুরো খাতা উলট-পালট করে দেখলেন। পিঠে হাত দিয়ে বললেন রিভিশন দিও। স্যারের টার্গেট আমার পেছনে। তা মুহূর্তেই টের পেলাম। আমাকে রেখে আমার পেছনে গিয়ে বললেন কি করছ। দেখি তোমার খাতা। খাতা হাতে তুলে নিলেন। প্রতিটা পাতা চেক করা শুরু করলেন। পেয়ে গেলেন অনিয়ম। স্যার প্রশ্ন করলেন এগুলো এখানে কেন। স্যার নোটসিটের সাথে পরীক্ষার খাতা মিলানো শুরু করলেন। মিলে গেল নোটসিটের সাথে একাধিক প্রশ্ন। স্যার গর্জে উঠে বললেন “ইউ হ্যাভ লস্ট ইউর মাস্টার্স”। দীর্ঘ পাঁচ বছর অনার্স মাস্টার্স যার হাতের উপরে সে সম্পর্ক কোনই কাজে আসেনি। প্রতিটা ছাত্রের ক্ষেত্রেই অসৎ উপায়ের জন্য বহিষ্কারের চিঠি পাঠানো হয় অভিভাবকের কাছে। হয়ত ওর ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। হারিয়ে গেল ও আমাদের কাছে থেকে। আর কোনদিনই ওর দেখা পাইনি। ওর কথা মনে হলে বড় কষ্ট হয়।

রিজেন্টের সাহেদ ও প্রশ্নফাঁসকারী জসিম শুধু মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। এরা রাষ্ট্রের শত্রু। এদের বিচার দেখার জন্য গোটা দেশবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। যাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে। যারা জসিমের ফাঁদে পা দিয়ে বসে আছে। তাদের জীবন এক উত্তপ্ত মরুভূমির ন্যায়। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত যার উষ্ণতা প্রশমন করা সম্ভব নয়। প্রতিটা মানুষই তার কর্মের ফল ভোগ করে। এ ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়। মুখ পুড়ে যাওয়ার মতো খাদ্য মুখে নেয়ার প্রয়োজন নেই, খাবার যত সুস্বাদু হোক না কেন। এই ফাঁদে পা দিলে মাঝ পথে একদিন শুনতে হবে “ইউ হ্যাভ লস্ট ইউর মাস্টার্স” “ইউ হ্যাভ লস্ট ইউর এমবিবিএস” “ইউ হ্যাভ লস্ট ইউর জব”। সময় থাকতে কঠোর অধ্যবসায় লেগে গেলে মহাসমুদ্রও হাসতে হাসতে পার হওয়া যায়।

লেখক : কলামিস্ট
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, দৈনিক ভোরের দর্পণ
E-mail: [email protected]
মোবাইল: ০১৭১১-২৭৩২৮০

আপনার মতামত লিখুন :