সাকিব থাকলে ফেভারিট হতো হায়দরাবাদ: হার্শা

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

তিন দফায় জুয়াড়িদের প্রস্তাব পাওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে না জানানোয় গত ২৯ অক্টোবর নিষিদ্ধ হন সাকিব আল হাসান। এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ দুই বছরের জন্য সব রকমের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে তাঁকে নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়ায় এমনিতেই ২০২০ আইপিএল খেলতে পারতেন না সাকিব। সানরাইজার্সের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদও ছিল আগামী আসর পর্যন্ত। সেই হিসেবেই গেল বছরের নভেম্বরে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দেয় ২০১৬ আইপিএলের চ্যাম্পিয়নরা।

২০১৮ আইপিএলের নিলামে সাকিবকে নিলামে উন্মুক্ত করে দিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আর এই সুযোগে ২ কোটি রূপিতে দলে ভেড়ায় হায়দরাবাদ। দলটির হয়ে প্রথম আসরে সাকিব ব্যাট হাতে করেন ২৩৯ রান ও বল হাতে নেন ১৪ উইকেট।

২০১৯ সালের আইপিএলে দলের কম্বিনেশনের কারণে মাত্র ৩ ম্যাচ খেলার সুযোগ পান সাকিব। সে সময়ই ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য নিজের প্রস্তুতি সেরে ফেলেন তিনি। যার ফলাফল দেখা যায় বিশ্বকাপের মঞ্চে। টুর্নামেন্ট ৬০৬ রান এবং ১১টি উইকেট শিকার করেন এই অলরাউন্ডার।

দর্শক হিসেবে এবার ২০২০ আইপিএল দেখবেন সাকিব। তবে ধারাভাষ্যকার এবং ক্রিকবাজের ভয়েস অফ ক্রিকেটের অ্যানালিসিস্ট হার্শা ভোগলে মনে করছেন, আইপিএলের এবারের আসরটি ছিল সাকিবের জন্য। কারণ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আসরটি ভারতে নয়, হচ্ছে দুবাইতে।

কন্ডিশন তাই সাকিবের পক্ষেই কথা বলতো। এছাড়া হায়দরাবাদ হয়ে তিন নম্বরেও খেলতে পারেন এই অলরাউন্ডার। সাকিব থাকলে হায়দরাবাদ টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রিয় দল হিসেবেও ধরা যেত বলে মনে করছেন হার্শা। কারণ সাকিব যে কোনো দলকে ভারসাম্যপুর্ন করে তোলেন। তাঁর কাছ থেকে ব্যাটিং-বোলিং দুটিই আদায় করে নিতে পারেন অধিনায়ক।

হার্শা বলেন, ‘হায়দরাবাদ ভক্তদের জন্য আরও একটি বিষয় আছে, যেটি নিয়ে এখন আর কিছুই করার নেই। আমার মনে হয় এবারের আইপিএলটা ছিল সাকিবের জন্য। ভারতে যখন খেলা হয়েছিল দলের কম্বিনেশনের কারণে বেশি ম্যাচ পায়নি সে।’

‘ধরুন সাকিব ৩ নম্বরে খেলছে, ৪ ওভার বোলিং দিচ্ছে আপনাকে।।এতেই হায়দরাবাদ অনেক এগিয়ে যেত, দলটি প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আইপিএলে অংশ নেত’ আরও যোগ করেন হার্শা।

আপনার মতামত লিখুন :