জাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

ভোরের দর্পণ ডেস্কঃ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ১৯তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল আলম৷ 

আজ মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদের নির্দেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব মো. মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়৷

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় আইনে ১৯৭৩ এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নূরুল আলমকে আগামী ৪ বছরের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার অবসর অব্যবহিত পূর্ব পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি পাবেন, বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট সকল সুবিধা ভোগ করবেন৷ এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন৷

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন, প্রথমেই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটরদের, সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদেরকে। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সিনেটের এক বিশেষ সভায় উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের তিন প্যানেল থেকে মোট আটজন শিক্ষক এ নির্বাচনে অংশ নেয়। ৭৬ জন সিনেটর নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে ৪৮ ভোট পেয়ে অধ্যাপক আমির হোসেন, ৪৬ ভোট পেয়ে অধ্যাপক নূরুল আলম ও ৩২ ভোট পেয়ে অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার প্যানেলে নির্বাচিত হন।

অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ১৯৫৭ সালে ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ১৯৭৬ সালে স্নাতক ও ১৯৭৭ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৮২ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি। এছাড়া তিন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য(শিক্ষা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন৷ তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন :