করোনায় প্রাণহানি

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ ২০২০

করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশেও প্রাণহানি ঘটেছে। রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৭০ উর্ধ্ব এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিদেশ থেকে আসা এক স্বজনের মাধ্যমে তিনি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ১৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেইনটাইনে পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগি শনাক্ত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অন্যান্য দেশও বলছে, তাদেরই মৃত্যু ঝুঁকি বেশি যাদের অন্য রোগ রয়েছে এবং যারা বয়স্ক। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে যে কেউ এলে তাকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এ বিষয়ে কোনো রেহাই নেই। কিন্তু প্রচুর বিদেশ প্রত্যাগত নাগরিক বিনা কোয়ারেন্টাইনে দেশের অভ্যন্তরে চলে এসেছে। স্থল সীমান্ত দিয়েও ভারত থেকে আমাদের নাগরিকরা বিনা পরীক্ষায় একই ভাবে চলে আসার সুযোগ পাচ্ছে।

 
 আমরা মনে করি, এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার গড়িমসি করা যাবে না। কেননা, এটা মনে রাখতে হবে যে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ অপরিহার্য বিষয়। মনে রাখা দরকার করোনা ঠেকাতে ইতিমধ্যে ইউরোপের দেশগুলো প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিশ্ব থেকে। যেসব দেশ বলা চলে কোয়ারেন্টাইনে। ধীরে ধীরে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে অন্য দেশগুলোতেও। ফলে এই বিষয়গুলোকে  সামনে রেখে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশ্ব পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে এবং যে কোনো সিদ্ধান্তের জন্য সবাইকে তৈরি থাকতে হবে।

 মানুষের কল্যাণে এখন সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা খুবই জরুরি বলে আমরা মনে করি। একই সঙ্গে সরকারের উচিত হবে সারা দেশে করোনা মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে জনগণকে সেবা দেওয়া। কোনো ভাবেই যেন এ ভাইরাস দেশে মহামারি আকারে ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারের সর্বোচ্চ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ ছাড়া জনসাধারণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে সচেতনতা কার্যক্রমও বাড়াতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :