ফুলবাড়ীতে গণতন্ত্র চর্চায় আস্থা বাড়ছে যুব জনগোষ্ঠীর

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর ২০২২

মোস্তাফিজার রহমান (জাহাঙ্গীর)

বর্তমান স্থানীয় সরকার অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে যুবদের অংশ গ্রহণই বেশি। নিভৃত পল্লী থেকে শুরু করে ইট – পাথরে গড়া নগরায়নেও যুব সমাজের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। কেউবা সমাজ সচেতনতামুলক কাজের ধারাকে এগিয়ে নিতে আছেন নেতৃত্বে। বর্তমান যুবসমাজের মধ্যে গণতন্ত্র ধারাবাহিকতাও অনেক বেশি। চর্চার যুবকরা গ্রাম থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এখন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এমনকি সিটি করপোরেশনগুলোতে যুবসমাজের ভূমিকা ঈর্শ্বনীয়। দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, দায়িত্ববোধে বিশ্বাসী যুবদের উপরই সমাজ পরিবর্তনে আস্থা রাখছেন সাধারণ জনগণ। একারণে দিন দিন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে গণতন্ত্রচর্চায় যুব জনগোষ্ঠীর ভূমিকায় ভরসা রেখে তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা হচ্ছে। আর যে কোনো পরিস্থিতিতে যুবরাই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে গণতান্ত্রিক ধারাহিকতা ও গণতন্ত্রচর্চায় বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার কাঠামোর নিচের দিকে সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ। গ্রামীণ সমস্যা দূরীকরণ,উন্নয়ন কাজে সহায়তা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরী করতে ইউনিয়ন পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমস্যা দূরীকরণ গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরি করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ বিশেষ ভূমিকা রাখে। বাজেট প্রণয়নে যুবদের মতামত নিতে হবে ও তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্ব বিষয়ে তরুণদের জ্ঞানবৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন, অনানুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাঠামোতে যুবদের অন্তর্ভুক্ত করাসহ যুব সমাজের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবকদের নিয়ে কাজ করা জরুরি। তাই যুবদের কার্যকর প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখতে হবে।

একটি টেকসই উন্নয়নমূলক দেশ গড়তে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার কার্যকর গণতন্ত্র অপরিহার্য উপাদান। উপজেলা পরিষদ ও স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকারের এবং রাজনৈতিক-প্রশাসনিক জোটবদ্ধতা একটি গুরুত্বপূর্ন স্তর। স্থানীয় সরকারের কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আমলাতন্ত্রিক মতাদর্শে পরিচালিত। অর্থনৈতিক কাঠামো সমাজের প্রভাবশালী শ্রেনির দ্বারা স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো প্রভাবিত হয় ফলে যুব ও সাধারণ জনগন স্থানীয় সরকার যথাযথ পরিসেবা দিতে পারে না এবং অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে। নির্বাচিত স্থানীয় সকারগুলো- ক্ষমতা ও কারসাজির মাধ্যমে সুশীল সমাজকে নিয়ন্ত্রন ও ব্যবহার করছে।

স্থানীয় সরকার হলো গণতন্ত্রের উর্বর ক্ষেত্র। একটি আধুনিক রাষ্ট্রে জনগণকে সরাসরি সরকারি পরিসেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যকর ইউনিট ইউনিয়ন পরিষদ। গ্রামীণ সমস্যা দূরীকরণ, উন্নয়ন কাজে সহায়তা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরী করতে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এসব সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে যুবদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফুলবাড়ীতে বর্তমান পেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গুলোতে গনতন্ত্র চর্চায় আগ্রহ বাড়ছে যুব জনগোষ্ঠীর।

প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্র তখনই কার্যকর হয় যখন সমাজের প্রান্তিক জনগণসহ সব মানুষ রাষ্ট্র শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে, প্রশ্ন করার ক্ষমতা রাখে এবং জবাবদিহিতা করতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে কেন্দ্রীয় সরকার তার রাজনৈতিক কর্মসূচির তাগিদে স্থানীয় সরকারের শক্তিমত্তা কাজে লাগায়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গুলোকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় স্থানীয় সরকারের কমিটিগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার ও যুব গনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানো।

একটি ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তা, মসজিদ, মন্দির, ব্রিজ নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। সেখানে যুবদের যদি কাজে লাগায় সে ক্ষেত্রে কাজগুলো ভালো হবে এবং সাধারণ জনগণ কাজগুলো সম্বন্ধে জানতে পারবে। কাজগুলো সঠিক এবং স্বচ্ছ হবে। সুশীল সমাজের কিছু ব্যক্তি যেমন শিক্ষক ও যুবদেরকে কমিটিতে রাখলে কাজগুলো অবশ্যই স্বচ্ছ হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই সমস্ত ব্যক্তিকে রাখলে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে এ আশংকায় তাদেরকে রাখা হয়না।

দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রয়োজন। প্রয়োজন এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকর গনতন্ত্রের চর্চা। পরিতাপের বিষয় স্থানীয় সরকারের কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আজও আমলাতন্ত্রিক মতাদর্শে পরিচালিত হন। অর্থনৈতিক ভাবে সমাজের প্রভাবশালী শ্রেনির দ্বারা স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো প্রভাবিত হয়। ফলে যুব ও সাধারণ জনগণকে স্থানীয় সরকার যথাযথ পরিসেবা দিতে পারে না এবং অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচিতে তারা অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে। নির্বাচিত স্থানীয় সকারগুলো ক্ষমতা ও কারসাজির মাধ্যমে সুশীল সমাজকে নিয়ন্ত্রন ও ব্যবহার করছে।

স্থানীয় সরকার যেমন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সাথে যুবরা কাজ করতে গেলে যখন ত্রুটিপূর্ণ কাজ হয় তখন দ্বিধাদ্ব›দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট, সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজগুলো প্রচার প্রসার ছাড়াই করা হচ্ছে। সেখানে যুবসমাজ যদি প্রচারের ব্যবস্থা করে তাহলে দ্ব›দ্ব তৈরি হচ্ছে। এসময় রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, উষ্কানিমূলক কথাবার্তায় ঘৃনার সৃষ্ঠি এবং জনগণের মধ্যে সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি কমে যাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির বা ডিজিটালাইজেশনের কারণে ভূয়া তথ্য ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

আজকের যুব আগামীর ভবিষ্যৎ। যুবরাই পারে সকল দুনীতি বন্ধ করতে। এজন্য তাদেরকে সুষ্ঠু গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ দিতে হবে। গণতন্ত্র ও নেতৃত্ব চর্চায় স্কুল পর্যায় থেকেই শিশুদের উৎসাহ দিতে হবে। এজন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোথাও কাউন্সিল, কোথাও গভার্ণমেন্ট, কোথাওবা কেবিনেট গঠনের মাধ্যমে এই সুযোগ করে দিতে হবে। এজন্য শিক্ষা দপ্তরকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সমাজসেবা, যুব উন্নয়ন, সমবায় ও মহিলা বিষয়ক দপ্তরের আওতাধীন তৃণমূল পর্যায়ে যুবদের যে সংগঠনগুলো আছে সেখানে গণতন্ত্র ও নেতৃত্ব বিকাশে প্রয়োজনীয় উদ্েযাগ গ্রহন করতে হবে। যাতে করে তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।

তৃণমূল পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাঠামোতে যুবদের অন্তর্ভুক্ত করাসহ যুব সমাজের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবকদের নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে যুবদের কার্যকর প্রশিক্ষণ প্রদান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে গণতন্ত্রচর্চায় যুব জনগোষ্ঠীর সামনে অনেক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। স্থানীয় সরকার যেমন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সাথে যুবরা কাজ করতে গেলে ত্রুটিপূর্ণ কাজ হলে সেখানে দ্বিধাদ্ব›দ্ব সৃষ্টি হতে পারে, ইউনিয়ন পরিষদে কোনকিছু বাজেট আসলে অনেক সময় প্রচার ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের কাজগুলো করার চিন্তা-ভাবনা করলে, সেখানে যুবসমাজ যদি প্রচারের ব্যবস্থা করে সেখানে দ্বিধাদ্ব›দ্ব আসতে পারে, এছাড়াও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার,উষ্কানিমূলক কথাবার্তায় ঘৃনার সৃষ্টি ও জনগণের মধ্যে সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি কমে যাচ্ছে। অধুনিক প্রযুক্তির বা ডিজিটালাইজেশনের কারণে ভুয়া তথ্য ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ললিত মোহন জানান, উপজেলায় বিভিন্ন ট্রেডে যুবদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মাঝে যুব ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এখন তারা অনেকেই প্রশিক্ষণ ও ঋণ সুবিধা নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যুবদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে।
গণতন্ত্র চর্চায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে যুব জনগোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এমন তথ্য মিলেছে অনুসন্ধানে। উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে গণতন্ত্র চর্চায় যুবদের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু জানান, সামাজিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়ে যুবদের অংশগ্রহণ বিশেষ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য আমার ইউনিয়ন পরিষদে যেকোন উন্নয়নমূলক, সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুবদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। বিভিন্ন প্রকার প্রজেক্টেও কমিটিতে রেখেছি। বর্তমানে আমার ইউনিয়ন পরিষদের ১৩ টি কমিটি করা হয়েছে। সেগুলোতে আমি এলাকার সুশীল সমাজ, যুবসমাজ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অন্তর্ভূক্ত করেছি। আমি মনে করি যদি যুবদের কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া যায় বা উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো যায়, তাহলে যুবদের উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের উন্নয়ন হবে। চুরি, রাহাজানি, মাদক সেবন, মাদক ব্যাবসা, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন ধরণের অপকর্ম থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব হবে।

৪ নং বড়ভিটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ইলিয়াস হোসেন জানান, কোন প্রজেক্টে যুবদেরকে কমিটিতে রাখলে আমরা যেভাবে কাজটা করবো সে কাজটা যুবদের মনোপুত না হলে তারা কাজে বাধা দিতে পারে। সেই কারণে নিজেদের লোক দিয়ে কমিটি করে কাজ করতে সুবিধা হয়।
একই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মাসুদ রানা সবুজ জানায়, আমার ওয়ার্ডে ১টি ‘স্যানিটেশন’ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটিতে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ও যুবদেরকে রেখেছি। যুবকদের কাজে লাগাতে পারলে তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, পাশাপাশি স্বাবলম্বী হতে পারবে।
এছাড়াও ফুলবাড়ী উপজেলার আরও ২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কাজের উদ্দেশ্যে কমিটি গঠন করেছেন। সেখানে যুবক, শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে রেখেছেন। এই কমিটিকে সাথে নিয়ে মিটিংয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজগুলো করে থাকেন। তবে নাম মাত্র যুবদের কমিটিতে রাখা হয়েছে এমন তথ্যও মিলেছে ইউনিয়ন পরিষদের কমিটিতে আছে এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে। তারা জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের কমিটির প্রয়োজন তাই তারা নিজের মন গড়া কমিটি করে থাকে। যুবদের সাথে কথা না বলে তারা কমিটিতে নাম দেয়। কোন কমিটিতে আছে, কিসের কমিটিতে আছে তাও জানানো হয় না। এমনকি কোনদিন তাদের নিয়ে কোন মিটিং বসা বা কোন কাজেও ডাকা হয় না। এমন কর্মকান্ডে ওই যুবরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
টেকশই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুগোপযোগী, কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই । যে প্রতিষ্ঠানগুলো হবে গণতন্ত্র চর্চার আতুরঘর। এই প্রতিষ্ঠানগুলো যুবদের  নেতৃত্বের বিকাশ,  উদ্যোক্তা তৈরি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা সম্পন্ন যুবসমাজ তৈরি করবে। এই যুবদের কাঁধে ভর করেই বাংলাদেশ হবে সমৃদ্ধ, উন্নত বিশ্বের শান্তিকামী একটি দেশ। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জন করবে যুবরা।
এজন্য জাতীয় বাজেটে যুবদের জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে। যুবদের সাথে পরামর্শ করে যুব বাজেট ব্যয়ের খাত নির্ধারণ করা জরুরি।
প্রশাসনিক কাজ গতিশীল করার জন্য যুব বিভাগ গঠন করা প্রয়োজন। যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে দীর্ঘ মেয়াদী ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
যুব উদ্যোক্তাদের জন্য ওয়ান স্টপ সেবার ব্যবস্থা করতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ–সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। যুবদের জন্য পর্যাপ্ত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ব্যবস্থা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :