বাগাতিপাড়ায় বেহাল রাস্তায় দুর্ভোগ

প্রকাশিত : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আবদুল্লাহ-আল-অনিক, বাগাতিপাড়া (নাটোর) :

 

নাটোরের বাগাতিপাড়ার জামনগর ইউনিয়নের রহিমানপুরে ৩ কি.মি পাকা সড়ক বেহালের পাশাপাশি গোলাম মোস্তফার বাড়ির নিকট মূল সড়কের কিছু অংশ ভেঙে পুকুরে ধসে গেছে। ফলে এই সড়কে যাতায়াতকারীরা প্রতিনিয়তই পড়ছেন বিপাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রহিমানপুর সিদ্দিকের মোড় হতে রহিমানপুর বাজার হয়ে ঈদগাহ্ পর্যন্ত ৩ কি.মি পাকা সড়ক দীর্ঘ ১২ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে একবারও সংস্কার না করায় পুরো সড়কজুড়েই খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার মধ্যে আবার ২০ দিন আগে বর্ষণে সড়কটি পুকুরের মধ্যে ধসে পড়ায় দুর্ভোগের মাত্রা আরও বেড়েছে। ফলে রহিমানপুর, খামার বজরাপুর, বজরাপুর, জালালপুর এবং ডাকর মড়িয়া গ্রামের মানুষের যাতায়াতের এই সড়কটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানান তারা।

 

মোটরসাইকেল চালক দেবনগর গ্রামের শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ওই সড়কটি দিয়ে তার কর্মস্থল তকিনগর আইডিয়াল হাই স্কুল এন্ড কলেজে যেতে হয়। কিন্তু পুরো সড়কটিই বেহাল হওয়ার পাশাপাশি গোলাম মস্তফার বাড়ির নিকট পুকুরের মধ্যে ভেঙে পড়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই যাতায়াতের উপায় থাকে না। অনেক মোটরসাইকেল চালক সেখানে পার হতে গিয়ে পড়েও যায়।

সড়কটি দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী খামার বজরাপুর গ্রামের খবির উদ্দিন বলেন, রহিমানপুর বাজারে তার দোকান হওয়ায় সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। রাত বিরাতে চলাচল করতে গিয়ে অনেক সময় সড়কটির ভাঙা অংশে পা পিছলে পড়ে যেতে হয়। তাই দ্রুত সড়কটি মেরামতের দাবি জানান তিনি। ডাকরমাড়িয়া গ্রামের ভ্যান চালক আ. রহিম বলেন, সড়কটির ওই অংশ ভাঙা হওয়ায় মালামাল নিয়ে যাওয়া যায়না। তার পাশাপাশি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় পুরো সড়কটিই ভেঙেচুরে নষ্ট হয়ে গেছে। মালবোঝাই ভ্যান নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।

পুকুর মালিক গোলাম মোস্তফা বলেন, পুকুরটি আমার দাদার আমলের। এখন এই পুকুরের অনেক ভাগ হয়ে গেছে। আর সড়কটি দীর্ঘ সময় সংস্কার না করার ফলে ভেঙ্গে গেছে। রহিমানপুর গ্রামের আখতারুজ্জামান বলেন, পুরো সড়ক জুড়েই খুব খারাপ অবস্থা। তার মধ্যে আবার পুকুরের মধ্যে ধসে পড়া অংশ দ্রুত মেরামত করা না হলে দিনে দিনে পুরো সড়কটি বিলিন হয়ে যাবে। তখন কয়েকটি গ্রামের মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকবে না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের পাড় ধসে পড়ায় ও খানা-খন্দে চলাচলকারীরা পুরো সড়কজুড়েই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুর রহমান বলেন, সড়কটি ধসে পড়ার খবরটি জানতামনা। দেখে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে। আর সামনের চাহিদা তালিকায় সড়কটি সংস্কারের জন্য দেওয়া হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :