২০ বছর পর আবারও সেই বিদ্যাপিঠে

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর ২০২০

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির একমাত্র সরকারি এলবিপি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালের সমাপণী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বেরিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীরা ২০ বছর পর আবারও সেই ফেলে যাওয়া বিদ্যাপিঠে একত্রিত হয়। যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্জন করেন সেই প্রতিষ্ঠানে গত শনিবার আবার এক সাথে মিলিত হয় স্বপরিবারে।

দীর্ঘ ২০ বছর পর আবার যখন তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে একে অপরের সঙ্গে দেখা হয় বুকে জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় করেন। মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের কল্যানে যদিও সবাই জানে কে কি করছে এবং কোথায় কার অবস্থান কিন্তু এক সঙ্গে সবার দেখা হয়না।

যে শিক্ষা গুরুদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করে অনেকেই আজ দেশের বিভিন্ন বড় বড় পদে অবস্থান করলেও ভুলে যায়নি তাঁদের কথা, এজন্য তাদের মিলন মেলায় আমন্ত্রণ জানানো হয় সেইসব শিক্ষা গুরুদের এবং দেওয়া হয় বিভিন্ন উপহার সামগ্রী।
দেখা যায়, এক সময়ের সেই প্রিয় ক্লাস রুমের করিডোরে দাঁড়িয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা আ. মমিন ও কাষ্টম কর্মকর্তা ইয়াকুত জাহিদ শাওন এককালের দুই বন্ধু গল্প করছেন। একে অপরের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে পরিচয় বিনিময় করছেন। এরই মাঝে তাদের নিকট জানতে চাই এতদিন পর আবারও সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একে অপরের সঙ্গে পরিবারসহ দেখা হয়ে কেমন লাগছে।

ব্যাংক কর্তা মমিন বলেন, আনন্দের কথা আর কি বলব আজকে সবাই আমরা একই স্থানে মিলিত হয়ে যে আনন্দ পেলাম বাকী জীবনে আবার আমরা সবাই কবে একত্রিত হতে পারব সেটাই ভাবছি। পেট্রো বাংলায় চাকরি করেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বপরিবারে বিদ্যালয়ের গেটে প্রবেশ করতেই দেখতে পায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের দায়িত্বরত অতিরিক্ত জেলার সাকলাইন হোসেন। আবু হেনা চিৎকার করে সেই অতীতের ন্যায় মজা করে বন্ধু সাকলাইনকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, দোস্ত জেলার সাহেব কেমন আছিস।

২০০০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মিলন মেলায় উপস্থিত জয়পুরহাট-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব এ্যাড. সামছুল দুদু, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল শহীদ মুন্না, পৌর মেয়র আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, পাঁচবিবি এন, এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহের নিগার শিউলীসহ সেই সময়ের শিক্ষকগণ।

 

আপনার মতামত লিখুন :