ধুনটে রাস্তায় বেড়া দেয়ায় ২০ পরিবার অবরুদ্ধ

প্রকাশিত : ২৬ জুন ২০২০

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে চলাচলের রাস্তার প্রবেশ মুখে টিনের তৈরী বেড়া দিয়ে বন্ধ করায় ২০টি পরিবার চার দিন ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। অবরুদ্ধ পরিবারের পক্ষে শিয়ালী গ্রামের রবিউল আলম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি প্রতিবেশী ইমদাদুল হক ও তার চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি করেন।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সোনাহাটা-চাপড়া পাকা সড়কের পাশে শিয়ালী গ্রামের একটি পাড়ার লোকজনের চলাচলের জন্য মাটির রাস্তা। পুরো রাস্তাটির দৈর্ঘ্য ছিল ২০ ফুট ও প্রস্থ্য ৫ ফুট। যুগ যুগ ধরে ওই সব পরিবারের লোকজন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করত।
এ অবস্থায় মঙ্গলবার প্রতিবেশী ইমদাদুল হক ও তার চার ভাই রাস্তাটিতে প্রতিবন্ধক বেড়া দিয়েছেন। পরিবারগুলো বাধা দিতে গেলে তারা মারধর ও জীবন নাশের হুমকি দেন। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ২০টি পরিবারের সদস্যরা চলাচলে বেকায়দায় পড়েছেন।
অবরুদ্ধ একটি পরিবারের সদস্য রবিউল আলম বলেন, ২০টি পরিবারের সদস্যরা কৃষি কাজসহ বিভিন্ন পেশায় জীবিকা নির্বাহ করেন। যুগ যুগ ধরে ওই রাস্তাটি দিয়ে পরিবারগুলো চলাচল করছে। যারা রাস্তাটি বন্ধ করেছেন, তারা এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। রাস্তার প্রবেশ মুখে টিনের তৈরী বেড়া দিয়েছেন। চার দিন ধরে চলাচলে বেকায়দার মধ্যে রয়েছি।

এ বিষয়টি নিয়ে অনেকের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। এ নিয়ে এলাকায় কয়েকটি সালিস বৈঠক হয়েছে। কিন্ত অবরুদ্ধ থেকে মুক্তির পথ মিলছে না। এ কারণে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে ইমদাদুল হক বলেন, রাস্তার পুরো জমিটি আমাদের। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি দিয়ে লোকজন চলাচল করেছেন। বর্তমানে আমাদের প্রয়োজন হওয়ায় রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছি। তবে ওই সব পরিবারের লোকজনের চলাচলের জন্য বিকল্প রাস্তা আছে।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মোহন্ত বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ঘটনাস্থল পরির্দশন করে উভয় পক্ষকে আমার কার্যালয়ে কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিষয়টি শুনানীর পর কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :