কেন্দুয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০২০

মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) : নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির এক ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কয়েকজন কার্ডধারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের ডিলার শহিদুল হক ফকির বাচ্চু বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সুত্রে জানা গেছে, প্রভাব খাটিয়ে ডিলার শহিদুল হক ফকির বাচ্চু বেশ কয়েকজন কার্ডধারী সুবিধাভোগীকে চাউল দেয়নি।

এছাড়া যাদেরকে দেয়া হয়েছে তাদেরকে ৩০ কেজি চালের স্থলে ২৫/২৬ কেজি চাউল দেওয়া হয়। তাছাড়া কার্ডধারীরা চালের জন্য আসলে শেষ হয়ে গেছে, চাল দেওয়া যাবে না। বিভিন্ন অজুহাতে কার্ডধারীদের চাউল না দিয়ে কালোবাজারে বিক্রয় জাল দস্তখতে মাস্টার রোল তৈরী করে অফিসে জমা দেন।

মাসকা গ্রামের ৭৭ নং কার্ডধারী মতি মিয়া জানান ২০১৮ সালে অক্টোবর মাসের পর ওই ডিলার তাকে চাল দেননি। একই গ্রামের ৭৬ নং কার্ডধারী আমজদ আলী সর্বশেষ ২০১৯ সালে ১৫ এপ্রিল চাউল, সাতাশি গ্রামের ১৪২ নং কার্ডধারী ইউসুব মিয়া সর্বশেষ ২০১৯ সালে ১০ অক্টোবর, সাতাশি গ্রামের ১৯৪ নং কার্ডধারী জহুরা সর্বশেষ ২০১৯ সালে ০৬ নভেম্বর, মাসকা গ্রামের ৭০ নং কার্ডধারী রহিছ মিয়া সর্বশেষ ২০১৯ সালে ০৫ এপ্রিল, মাসকা গ্রামের ১২৫ নং কার্ডধারী সবুজ মিয়া সর্বশেষ ২০১৯ সালে ডিসেম্বর, মাসকা গ্রামের ১২০ নং কার্ডধারী তারাবানু সর্বশেষ গত মার্চ২০১৯ ইং চাল উত্তোলন করতে পেরেছিলেন বলে জানিয়েছেন তারা।

তারা আরো জানায়, চাল আনতে গেলে চাল নাই, শেষ হয়ে গেছে বলতো ডিলার শহিদুল হক ফকির বাচ্চু। এছাড়াও ডিলার তাদের সাথে খারাপ আচারণ করতেন বলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী কার্ডধারীরা। বিষয়ে মুটোফোনে জানতে চাইলে ডিলার শহিদুল হক ফকির বাচ্চু ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে মাসকা ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আমিনুল হক জানান, চাল তো সবাই নেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলইমরান রুহুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে সে যেই হোক ছাড় পাবে না।

আপনার মতামত লিখুন :