কাশিয়ানীতে ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১০

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল ২০২০

কে, এম, সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা ইউনিয়নে গাছের চারা উপড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে বর ও সরকার পরিবারের মাঝে সৃষ্ট ঝগড়া থামাতে গিয়ে সরকার পরিবারের সদস্যদের হামলায় পার্শ্ববর্তী একনারকেলিয়া পাড়ার ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত অনুমান সাড়ে ৯টায় এঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আহত ভুক্তভোগীরা ও তাদের স্বজনেরা।

সোমবার দুপুরে ওই এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, প্রণব বরের নিজ বসত বাড়ির সীমানার অভ্যন্তরে লাগানো একটি গাছের চারা কে বা কারা উপরে ফেলে, গত শুক্রবার রাতে ওই চারা উপড়ে ফেলার ব্যপারে প্রতিবেশী প্রভাষ সরকারের স্ত্রী সবিতা সরকারের নিকট গিয়ে শোনা- মেলা করার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

পরে আহতদের আর্ত-চিৎকারে পার্শ্ববর্তী একনারকেলিয়া পাড়ার লোকজন ছুটে এলে সেখানে মৃত-প্রমথ সরকারের ছেলে প্রভাষ সরকার (৫০),পবিত্র সরকারের ছেলে তন্ময় সরকার (২৪), মৃত কার্তিক সরকারের ছেলে পবিত্র সরকার (৫০), দয়াময় সরকারের ছেলে মধু মঙ্গল সরকার (৫০), মৃত প্রফুল্ল সরকারের ছেলে কল্যাণ সরকার (২৪), ভব সিন্ধু সরকারের ছেলে কানাই সরকার (২৪) সহ আরো অনেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে  হামলা চালায়।

এ হামলায় ঝগড়া থামাতে আসা একনারকেলিয়া পাড়ার ১০জন আহত হয়, পরে  এলাকাবাসী ও আহতদের স্বজনরা গুরুতর আহত মৃত-সত্য রঞ্জন সরকারের মেয়ে শংকরী সরকার (২৮), আশুতোষ সরকারের ছেলে অজয় সরকার (৩৫), হরিমোহন সরকারের ছেলে পলাশ সরকার (৩২), চিত্ত রঞ্জন সরকারের ছেলে চঞ্চল কান্তি সরকার (৪২) সহ ৪ জনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বাকীদেরকে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক নিখিল সরকারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আহতদের পক্ষে কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলার ঘটনায়  অভিযুক্তদের পক্ষে তার এক স্বজন 

গণমাধ্যমকেধ্যমকে বলেন আমরা স্থানীয় সিংগা ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য জানিয়েছি। এরপরেও তারা কাশিয়ানী থানায় উক্ত বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। রামদিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস.আই জামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এ ব্যাপারে আহতদের পক্ষে কাশিয়ানী থানায় অভিযোগ দায়েরের পর আমি  সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল ইতোমধ্যেই পরিদর্শন করেছি। হামলাকারীদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :