ত্রানের চাল নিয়ে চলছে চালবাজি

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০২০

শামীম খানঃ   মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সারা বিশ্ব আজ আতঙ্কিত, প্রতিদিন যেন মৃত্যুর মিছিলে মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সংক্রমন প্রতিরোধে হিমশিম খাচ্ছেন গোটা বিশ্ব । দেশ ও জনগনের শুরক্ষায় সরকার দিচ্ছেন নানা দিক নির্দেশনা। ইতিমধ্যে মহামারী করোনা ভাইরাস ঘনবসতি বাংলাদেশে বিস্তার শুরু করেছে।সংক্রমনে ঘটছে মৃত্যুর ঘটনা। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নানারকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন । বিদেশ থেকে ব্যাক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম সহ করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য কিট্স আমদানী এবং দেশে উৎপাদন করার জন্য সকল প্রকার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন । সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহ সকলপ্রকার সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সর্ব্চ্চো পর্যায়থেকে মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে ডাক্তারদের জন্য সা¦স্থ্যবীমার ঘোষনা দিয়েছেন। সমস্ত স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষনা সহ সরকারী -বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষনা করেন । বাংলাদেশ এর বৃহত্তর গার্মেন্টস খাতের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্ব ঘোষনা করে তাদেরকে উৎসাহ প্রদান করেছেন । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষের জন্য ভিজিডি,ভিজিএফ,ওএমএস সহ ১০টাকা কেজি মূল্যের চাউল বিতরণের কর্মসুচি হাতে  নিয়েছেন।এ ছাড়াও বিভিন্নখাতে অনেক টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন কিন্তু সরকারের বিভিন্ন নানামুখি কর্মসৃচিতে একশ্রেনীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীসহ স্থানীয় কিছু স্বার্থোন্বেসী নেতা কর্মীর স¦ার্থের কাছে হেরে যাচ্ছে প্রশাসন সহ জনগন,দেশের এই দূর্যোগ পরিস্থিতিতে জনগনের উপকার করার পরিবর্তে তারা ত্রাণের বিভিন্ন মালামাল আত্বসাত করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আর তার জন্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। এমন সংকটাপন্ন সময়ে সচ্ছল ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধি পাশের অসহায়,গরীব দুস্থ মানুষের পাশে দাড়ানোর  পরিবর্তে  অসহায়,গরীব দুস্থ মানুষদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল,ডাল,তেল আত্বশাত করছে। এমনকি স্বজনপ্রিতী করছে। যার ফলে প্রকত গরীব, দুস্থ ব্যক্তি তাদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল,ডাল তেল পাচ্ছে না। পেলেও তা যেন অতি সামান্য। দিন মজুরী,ও খেটে খাওয়া মানুষেরা এই দূ-সময়ে স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের কাছে ছুটে গেলে তারা তাদের সাথে করছেন রুক্ষ আচারণ। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে কেউ আবার পরবর্তী ভোট ব্যাবসা ও করে যাচ্ছেন।এমতবস্থায় অসহায় হতদরিদ্র মানুষ গুলো যেন আরো অসহায় হয়ে পড়ছে। দেশের এই খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষের জন্য ভিজিডি,ভিজিএফ,ওএমএস সহ ১০টাকা কেজি মূল্যের চাউল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আর কী কোন মাধ্যম নেই? 
 

আপনার মতামত লিখুন :