নিষেধাজ্ঞা অমান্য : চাটমোহরে হাট-বাজার ও রাস্তায় অসংখ্য মানুষ

প্রকাশিত : ৬ এপ্রিল ২০২০

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কবল থেকে বাঁচতে সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও হাট-বাজারে,রাস্তায় জনসমাগম বন্ধ করা যাচ্ছে না। অবাধে চলছে মোটর সাইকেলসহ অটোভ্যান, সিএনজি, বোরাক। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জনসমাগমসহ সবকিছুই চলছে যেন স্বাভাবিক গতিতে। গত দু’দিন উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে। ঘরে না থেকে বাইরে বের হচ্ছে মানুষ আর যানবাহন। ব্যাংকে প্রচন্ড ভিড়। 
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার বিশেষ কয়েকটি পণ্যের দোকান ছাড়া হাটবাজার বন্ধের নির্দেশ দিলেও এ নির্দেশ ও নিয়ম মানা হচ্ছে না। বিকেল ৫টার পর সকল প্রকার দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আড়ালে ঠিকই ব্যবসা চলছে। চায়ের দোকানগুলো বাইরে বন্ধ রেখে ভেতরে চলছে চা পান। সেলুনগুলো কোন নির্দেশনাই মানছেন না। আগের মতোই বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে সব ধরনের পণ্য। এসব বাজারে সমাগম হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতার। অবাধে চলাফেরা করছেন। মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। সকাল হওয়ার সাথে সাথেই অসংখ্য অটোভ্যান বের হচ্ছে। ৩/৪ জন যাত্রী নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মোটর সাইকেলের অবাধ চলাচল, যেন কোন কিছুই মানছে না। ৩ জন পর্যন্ত চলছে একেটি মোটর সাইকেলে। স্থানীয়রা জানায়, করোনা আতঙ্কের মধ্যেও কেনাবেচা এবং জনসমাগম কমেনি। রবিবার উপজেলার পাশর্^ডাঙ্গা হাটে প্রচুর লোকের সমাগম হয়। গতকাল সোমবার সকালে চাটমোহর সোনালী ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায় ব্যাংকের প্রবেশ পথ রাস্তা থেকে দোতলা পর্যন্ত অসংখ্য মানুষের ভীড়। পেনশন গ্রহীতারা লাইন ধরে অপেক্ষা করছেন। 
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার অতিরিক্ত জনসমাগমকেও নিরুৎসাহিত করছে। সামাজিক দূরত্বসহ নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনার কথা বলা হয়। সরকারের এ কাজ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে পুলিশী টহল ও ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম। কিন্তু কোন কিছুর তোয়াক্কাই করছেন না অটোভ্যান চালকরা। ঘর থেকে বেরিয়ে আসছেন সাধারণ মানুষ। হাটবাজারসহ যেকোনো জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হলেও কেউ তা মানছে না। গ্রামীণ হাটবাজারে ব্যাপক সমাগম ও আড্ডা করোনা সংক্রমণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
 

আপনার মতামত লিখুন :