সীতাকুণ্ডে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রেখে প্রভাবশালী মহল তৈরী করছে মাছের প্রজেক্ট

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

কামরুল ইসলাম দুলু. সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটেরখীল এলাকার সাগর উপকূলে অবস্থিত বেড়ি বাঁধে লাগােয়া ছােট কুমিরা খালের দক্ষিণ পাশের ২শ কেওড়া গাছ মারা যাচ্ছে। চারদিক বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রেখে এই গাছ গুলাে মেরে ফেলার সব আয়ােজন ইতিমধ্য সম্পন্ন হয়েছে। আর সেখানে করা হচ্ছে মাছের প্রজেক্ট।
ভাটেরখীল বন বিভাগের বিট অফিসারের সহায়তায় স্থানীয় মােহাম্মদ টিটু নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি কেওড়া বাগানের চারদিক বাঁধ দিয়ে মাছের প্রজেক্ট তৈরী করছে বলে জানা যায়। বনের উঁচু জমি কেটে মাটি সরিয়ে নিচু করে মাছের খামারের সঙ্গে মিলিয়ে দখলের পাঁয়তারা করছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ ছাড়া মাছের খামারের ওই  মালিকরা খামারের পারে বাঁধ দিয়ে এলাকার পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সরজমিনে দেখা যায়, বাগানের বড় বড় সব কেওড়া গাছ পানিতে ডুবে আছে। ধীরে-ধীরে মারা যাচ্ছে গাছগুলাে। কিছু-কিছু গাছ ইতিমধ্যে মারা গেছে, আরা কিছু গাছের পাতা লালচে রং ধারণ করেছে। স্থানীয় যুবক মাে: শহীদ জানান, মাসখানেক আগে বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সহায়তায় মাে.টিটু  এস্কেভেটর দিয়ে কেওড়া বাগানের চারপাশে বাঁধ দেওয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
ফলে বাগানের সব গাছের গােড়ায় তিন ফুটের মত পানি জমে আছে। কেওড়া গাছ শ্বাসমূলের মাধ্যমে শ্বাস গ্রহণ করে থাকে। এই গাছগুলাের শ্বাসমূল পানির নিচে থাকায় গাছগুলাে শ্বাস নিতে না পারায় মারা যাচ্ছে। বিট অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, এই কেওড়া বাগানে পানি উনয়ন বাের্ডের জায়গা তাই এ বিষয়ে তিনি কােন ব্যবস্থা নেননি। অন্যদিকে সীতাকুণ্ড উপকূলীয় বন বিভাগর সহকারী রেঞ্জ অফিসার খোন্দকার আরিফুল ইসলাম বলেন, পাউবাের জায়গা হলেও সরকারী গাছ রক্ষা করা আমাদর দায়িত্ব। শীঘ্রই বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের  ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :