নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত ১

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ ২০২০

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ইব্রাহিম খলিল সুমন (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ ১২ জনকে আটক করেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহত সুমন উপজেলার দক্ষিণ পোরকরা গ্রামের খাশের বাড়ীর নজরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামের সিএনজি চালক শাকিল যাত্রী নিয়ে পার্শ্ববর্তী ভোগই গ্রামে যাওয়ার পথে একই ইউনিয়নের কাবিলপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এক পথচারীকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান। সিএনজি চালক শাকিল রাতে যাত্রী নামিয়ে ফেরার সময় কাবিলপুর উত্তরপাড়ার লোকজন তাকে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ পোরকরা গ্রাম থেকে কয়েকজন সিএনজি চালকসহ একদল যুবক কাবিলপুর উত্তর পাড়ায় গিয়ে আটক ওই চালককে উদ্ধার করে।

এরই জের ধরে রোববার (২৯ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পূর্বে দক্ষিণ পোরকার গ্রাম থেকে ইব্রাহিম খলিল সুমনসহ একদল যুবক পুনরায় কাবিলপুর উত্তরপাড়া গিয়ে স্থানীয়দের ওপর হামলা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় স্থানীয় মসজিদে ডাকাত বলে মাইকিং করা হলে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে গেলেও সুমনকে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদ সংলগ্ন সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় সুমনকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা নেয়ার পথে সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম তার নিরপরাধ ছেলের হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন।
সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ জানান, সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :