করোনায় মারা গেলেন ফটিকছড়ির যুবলীগনেতা

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল ২০২০

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: সৌদি আরবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসী ফটিকছড়ির বাসিন্ধা ও উপজেলা যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ মিজানুল আলম (৪২) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না নিল্লাহী . . . . রাজেউন। ২৯ এপ্রিল সৌদি আরবের দাম্মাম জেনারেল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে ফটিকছড়ি উপজেলার সর্বত্রই শোকের ছায়া নেমে আসে।

এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমও বেশ সক্রিয় ছিল। মরহুম মিজানুল আলম লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা গ্রামের সিরাজুল হক মুন্সী বাড়ির মুহাম্মদ ইউনুচের পুত্র। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও পারিবারিক সূত্রে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানাগেছে, করোনার উপসর্গ নিয়ে মিজানুল আলম হাসপাতালে যান। সেখানে করোনার ভাইরাস পজেটিভ আসলে চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি নিয়ে নেন। সেখানে ১৫দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে মরহুম মিজানুল আলম প্রবাসে ছিলেন। গত বছরখানেক সর্বশেষ দেশ থেকে ঘুর যান। সে স্ত্রীসহ ১০বছরের একটি মেয়ে ৭বছর ও ৬মাস বয়সের দুই ছেলে রেখে যান।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন বলেন- আমার হাত ধরে মিজানের রাজনীতি শুরু। মহামারী করোনায় ওর মৃত্যু হয়েছে। মিজানের মৃত্যুতে আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠন একজন প্রতিবাদী নেতাকে হারালো। শোকে স্তব্দ আমিসহ ফটিকছড়িবাসী। আমি তার বিধায়ী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।

যুবলীগ নেতা মরহুম মিজানুল আলমের মৃত্যুতে শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেধনা জানিয়েছেন- ফটিকছড়ি সাংসদ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এম. ফখরুল আনোয়ার, লেলাং ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহিন, বখপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম.সোলাইমান বি.কম, রোসাংগিরী ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম সোয়েব আল সালেহীনসহ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :