ঝালকাঠিতে করোনার ছোবল থেকে পরিত্রান পাননি খেয়া পাড়াপাড়ের যাত্রীরা

প্রকাশিত : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি জেলা সদর ও নলছিটি উপজেলার বুক চিড়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা নদী। নদীর উত্তর পাড়ে নলছিটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ভৈরবপাশা ও মগড় ইউনিয়ন অবস্থিত। অপরদিকে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়ন সুগন্ধা নদীর দক্ষিণে অবস্থিত। ঝালকাঠি জেলা শহরের সাথে নলছিটি উপজেলাবাসীর যোগাযোগের সহজতম উপায় পুরাতন কলেজ খেয়া। এ খেয়াঘাট থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক যাতায়াত করেন। বর্তমানে জনপ্রতি খেয়াভাড়া নেয়া হচ্ছে ৭টাকা, যা করোনা দুর্যোগ শুরু হবার পূর্বে ছিলো ৫টাকা।

স্থানীয় কয়েকজনে জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে পুরাতন কলেজ খেয়াঘাটে প্রতিজন খেয়াপারাপারে ৫টাকা করেই নির্ধারণ করে দেয়া হয়। করোনা দুর্যোগ শুরু হবার পরে জেলাব্যাপী অঘোষিত কঠোর লকডাউন চলাকালে খেয়া পারাপারে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এসুযোগ জনপ্রতি সর্বনি¤œ ২০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ যার কাছ থেকে যা নেয়ার সুযোগ হয়েছে তাই নিয়েছে মাঝিরা। এরপর যখন ৬০% ভাড়া বৃদ্ধিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নৌ এবং স্থল যান চলাচলে শিথিলতা ঘোষণা করা হয়, তখন জনপ্রতি ট্রলারে খেয়া ভাড়া নেয়া হয় ১০টাকা। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকার পূর্বের ভাড়া নেয়া ঘোষণা দিলেও ৫টাকার স্থলে জনপ্রতি ৭টাকা করে রাখছেন ট্রলারের মাঝিরা। ট্রলার চালক রেজাউল ইসলাম জানান, পৌরসভা থেকে ৭টাকা হারে ভাড়া নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাই ৭টাকা করে রাখা হচ্ছে।
ঝালকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হানিফ জানান, পূর্বের থেকে খেয়া ভাড়া বাড়ানোর জন্য আমাদের একটা প্রস্তাবনা আছে। কিন্তু এখনও সেটা চূড়ান্ত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :