করোনায় অসহায় লালমোহনের ৩শতাধিক মাইক্রোবাস শ্রমিক, সরকারি সহযোগিতা দাবি

প্রকাশিত : ১২ মে ২০২০

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি : মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে মাইক্রোবাস বন্ধ থাকায় অসহায় হয়ে পড়েছে লালমোহনের শতাধিক মাইক্রোবাসের প্রায় শতাধিক মালিক শ্রমিক ইঞ্জিন মেকানিকের পরিবার

করোনা দূর্যোগ মোকাবিলায় লালমোহন উপজেলা লকডাউন করা হলেও কর্মহীন এসব মালিক শ্রমিক মেকানিকদের জন্য সরকারি বেসরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা না আসায় খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা

ম্ইাক্রোবাসের চালক সিরাজ, সবুজ, শাহিন মেকানিক দুলালসহ অনেকেই জানান, গাড়ীর চাকা ঘুরলে তাদের জীবিকার চাকা চলে করোনাদূর্যগে গাড়ীর চাকাও বন্ধ, তাদের পরিবারের জীবিকাও বন্ধ তবে পেটের ক্ষুদা তো আর আয় রোজগার বোঝে না তাই সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য সহযোগিতা দাবি করেছেন তারা

লালমোহন রেন্ট কার মালিক সমিতির সহসভাপতি আজগর মিয়া বলেন, সংগঠনের ৭০টি মাইক্রো করোনার কারণে দীর্ঘ আড়াই মাস যাবত বন্ধ একটি গাড়ীর সাথে মালিক দুই শ্রমিকের ৩টি পরিবার জড়িত গাড়ীগুলোর যাবতীয় কাজ করা মেকানিকদের পরিবারও জড়িত এসময়ে সকল ধরণের অনুষ্ঠান বা যাতায়াত নিষিদ্ধ থাকায় সরকারের আদেশ মেনে আমরাও গাড়ী বন্ধ রেখেছি ফলে রোজগার বিহীন হয়ে অতি কষ্টে দিন কাটছে সকলের

লালমোহন পৌরসভা কর্তৃক মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়া হয় এতে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকা ইজারা পাচ্ছে পৌরসভা অথচ বর্তমান দূর্যগে মাইক্রোবাস মালিক শ্রমিকদের জন্য পৌরসভাসহ সরকারি বেসরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি

ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমোহন পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জাহিদুল ইসলাম নবীণ বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে প্রচুর ওএমএস এবং ভিজিএফ বিতরণ করেছি তবে যার যার ওয়ার্ডে তাদেরকে দেখতে হবে

ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, বর্তমান দূর্যোগে অসহায় হয়ে পড়া সকল শ্রেণী পেশার মানুষে জন্যই সরকারি সাহায্য সহযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে তবে প্রত্যেককে তাদের স্ব স্ব পৌরসভার মেয়র কাউন্সিলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে আমাদের কাছে সরকারের যা কিছু বরাদ্দ আসছে, তা মেয়র  চেয়ারম্যান কাউন্সিলদের বরাবর আমরা পাঠিয়ে দিচ্ছি

আপনার মতামত লিখুন :