আগৈলঝাড়ায় রহস্যজনকভাবে তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার খাঁজুরিয়া দারুল ফালাহ প্রি-ক্যাডেট একাডেমীর তৃতীয় শ্রেনী ছাত্রী নুশরাত জাহান নোহা (১০) পরিক্ষায় নাম্বার কমপাওয়াতে শিক্ষক বেতের পিটুনি ও গালমন্দ করায় বুধবার বিকেলে গলায় গামছা পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে ঘরের মধ্যে আতœহত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্রীর পিতা উপজেলার খাঁজুরিয়া গ্রামের সুমন মিয়ার আগৈলঝাড়া থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এলাকাবাসী বলছে রহস্যজনক। স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল গত এক সপ্তাহ আগে ওই বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হলে নুশরাত জাহান নোহা ক্লাশে যাওয়া শুরু করেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর মাসিক পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরিক্ষার ফলাফল ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে নুশরাত অকৃতকার্য হওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সুমন পাইক নোহাকে ক্লাশে রুমে শিক্ষার্থীদের সামনে হাতে লাঠি দিয়ে পিটায় এবং গালমন্দ করেন। পুলিশের প্রথমিক ধানরা শিক্ষকের লাঠি পিটানো কারনে বুধবার বিকেলে ঘরের দোতালায় গিয়ে ঘরের আড়ার সাথে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। নাম না প্রকাশে একাধীক স্থানীরা বলেন, নুশরাত জাহান নোহা তার সত মায়ের সংসারে বড় হচ্ছে। নুশরাতকে তার মার কাছ থেকে এখানে রাখছে তার পিতা। তৃতীয় শ্রেনী ছাত্রী আতœহত্যা ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীরা। মামলার তদন্তকারি অফিসার আগৈলঝাড়া থানা এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, বুধবার রাতেই লাশ উদ্ধার করে পোষ্ট মর্ডেমের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল মর্গে প্রেরন করেছেন। এঘটনায় নুশরাতের পিতা সুমন মিয়া ওই শিক্ষককের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, যার নং-৪। আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফজাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীর পিতা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। আমারা আসামী গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি। মামলার তদন্তের সার্থে সব বলা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন :