নোভেল করোনায় ধবংসের পথে ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী গামছা

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঝালকাঠি শহরতলীর বাসন্ডা গ্রামের কারিগর বাড়ি। এটি গণি মিয়ার বাড়ি নামে সকলের কাছে সুপরিচিত এখানেই ৭০ বছর যাবৎ তৈরি হচ্ছে বাংলার ঐতিয্যবাহী ঝালকাঠির গামছা। হস্তচালিত তাঁত মেশিনের খটাস খটাস শব্দে মুখরিত থাকা এই বাড়িতে এখন পিনপত্তন শব্দ নেই

লকডাউনের কারনে গত এক মাস আগেই বন্ধ হয়ে যায় তাঁতের প্যডেল। এখন আর ঘুরছেনা সুতার চড়কা। বছর আগে গণিমিয়া মৃত্যু বরণ করলে তার বড় ছেলে নাসির উদ্দিন মিয়া এই শিল্পটি ধরে রেখেছেন। বর্তমানে করোনা ভাইসাসের প্রভাবে এই বাড়িটিতে নিথর পরে আছে গামছা তৈরির হস্তচালিত তাঁত মেশিনটি। বৈশাখ মাস এলেই নতুন গামছা ক্রয়ের হিড়িক পরতো অঞ্চলে

কলকাতার বিভিন্ন বাজারের ক্লথ ষ্টোরে এবং ট্রেনের বগীতে হকাররা বিক্রি করে থাকে বাংলার বিখ্যাত গণি মিয়ার গামছা। বর্তমানে করোনার আঘাত পরেছে এই শিল্পটির উপর। একান্ত সাক্ষাতকারে কারিগর নাসির উদ্দিন মিয়া বলেন, দিনে ২টি গামছা উৎপাদন করতাম। গত এক মাসে একটি গামছাও বুনতে পারিনি। করোনার কারনে বর্তমানে দোকানপাঠ বন্ধ থাকায় বাড়িতে আসছেনা কোন মহাজন

এখনো পাইনি কোনো সরকারী সহায়তা। ব্যাক্তি বা বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠান থেকেও একটু চাল, ডালও পাইনাই। সুতা ক্রয়ের জন্য মহাজনদের কাছে থেকে অগ্রীম কিছু অর্থ এনেছিলাম। তাও পরিবার পরিজন নিয়ে চাল, ডাল কিনে খেয়েছি। ঘরের খাবার শেষ হতে চলছে। জানিনা সামনে কি হবে

আপনার মতামত লিখুন :