খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বাংলাদেশের ডাক্তারদের বিএনপির এত অবজ্ঞা কেন, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর ২০২১

চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়া প্রয়োজন- দলটির তরফ থেকে এমন বক্তব্য আসার পর তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি তাদের এত অবজ্ঞা কেন? ডাক্তারদের প্রতি অবজ্ঞা কেন? 

হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এটাই প্রত্যাশা করি। অতীতেও বেগম খালেদা জিয়া যখন হাসপাতালে ছিলেন তখন প্রতিদিন সকাল-বিকেল দু’বেলা করে বলতেন বেগম খালেদা জিয়াকে অবশ্যই বিদেশ নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু তখন বাংলাদেশের চিকিৎসায় ভালো হয়ে খালেদা জিয়া ঘরে ফিরেছিলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, এখন আবার বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হওয়ায় তারা যে ধোঁয়া তুলছেন সেটি আগের মতোই। নতুন কোনো বক্তব্য নয়। অসুস্থ হলে কি বিদেশ নিয়ে যেতে হবে? এটি কেন।

আজ (বুধবার) অফিসার্স ক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য,  কয়েকদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গতকাল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ এপ্রিল এই হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে ৫৪ দিন চিকিৎসা শেষে গত ১৯ জুন রাতে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন খালেদা জিয়া।

এর আগে তিনি অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন যেভাবে ভোট করতো, ১০টা হোন্ডা ২০টা গুন্ডা। এটাকে ভোটের পরিবেশ বলে? বাংলাদেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ আছে বলে ভোট হচ্ছে। সুষ্ঠু ভোট হয়েছে বলেই অনেক জায়গায় বিএনপি জয়লাভ করেছে। তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে বিধায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। যে সমস্ত দল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তারাই ভোট বর্জন করে। জননির্ভর কোনো দলের পক্ষে ভোট বর্জন করা আত্মহত্যার সামিল। আসলে তারা চায় এমন একটি ব্যবস্থা বাংলাদেশ হোক, যেটার মাধ্যমে নিশ্চিত করা যাবে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা পত্রিকার শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছি। হঠাৎ যেমন বৃষ্টি হয়, তেমনি কিছু পত্রিকা আছে হঠাৎ বের হয়। সেগুলো বের হয়, যেদিন বিজ্ঞাপন পায়। আমরা এগুলোকে চিহ্নিত করেছি। ইতোমধ্যে ২১০টি পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করার জন্য সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের জানানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, বাকিগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে। আরও প্রায় ২০০ পত্রিকা আছে, যেগুলো এমন বের হয়। চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদফতর যেখানে পত্রিকার ক্রম/সার্কুলেশন ঠিক করা হয়, সেখানে যে সার্কুলেশন দেওয়া হয় সেটা আসলে বাস্তবসম্মত নয়। আমরা রিয়েল সার্কুলেশনের ভিত্তিতে পত্রিকার ক্রম ঠিক করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :