পিবিআইয়ের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো বাবুল আক্তারকে

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর ২০২২

ভোরের দর্পণ ডেস্ক :

চট্টগ্রামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত চিফ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হালিম শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নগরের খুলসী থানায় করা এই মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। বাবুল আগে থেকেই কারাগারে।

এর আগে শুনানি উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আজ বাবুলকে চট্টগ্রামের আদালত হাজির করা হয়। পরে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, তার মক্কেল জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। এ ছাড়া আইনজীবীর সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা বলার জন্যও আবেদন করা হয়েছে। দুটি আবেদনই পরবর্তী সময়ে শুনানির জন্য রেখেছেন আদালত।

গত ১৯ অক্টোবর নগরের খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা। মামলায় বাবুল ছাড়াও ইলিয়াস হোসাইন, বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান ও বাবা ওয়াদুদ মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলায় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম হত্যা মামলা নিয়ে মিথ্যা-অসত্য তথ্য সরবরাহ-প্রচারের অভিযোগ আনা হয়।

একই অভিযোগে এই আসামিদের বিরুদ্ধে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। পিবিআই বলছে, মাহমুদা হত্যা মামলা নিয়ে আসামিরা ফেসবুক-ইউটিউবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। এতে পিবিআই ও সংস্থাটির প্রধানের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। বাবুল, হাবিবুর ও ওয়াদুদের যোগসাজশে বিদেশে থাকা ইলিয়াস মিথ্যা তথ্য প্রচার করেন।

ইলিয়াসের ভিডিও প্রকাশের পর পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন বাবুল। তবে তার আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে গিয়ে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা। পরে হত্যা মামলায় বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করে ১৩ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। বাবুল ছিলেন এই মামলার বাদী। বাদী থেকে তিনি হয়েছেন প্রধান আসামি।

আপনার মতামত লিখুন :