মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বাধা নেই

প্রকাশিত : ৯ এপ্রিল ২০২০

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি আবদুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এর ফলে বরখাস্ত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে আর কোনো বাধা রইলো না।

বুধবার মৃত্যু পরোয়ানা জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি আবদুল মাজেদ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা পৌঁছে যায় রাষ্ট্রপতির কাছে। তবে রাষ্ট্রপতি তার আবেদনে সাড়া দেননি।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। এসময় বিচারক মাজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলার রায় পড়ে শোনান। পরে মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পৌঁছায়।

সেসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানান, পরোয়ানা জারির ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর হতে কোন বাধা নেই।

এর আগে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতিতে সম্প্রতি তিনি ঢাকায় চলে আসেন। সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে এগারো নম্বর এলাকা থেকে পলাতক আবদুল মাজেদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। পরে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সিএমএম আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়। ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন আবদুল মাজেদ।

২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন- লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর বজলুল হুদা, লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি) ও লে. কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ল্যান্সার)।

এছাড়া এখনো ১২ জনের মধ্যে ৫ জন বিদেশে পালিয়ে রয়েছেন। পলাতকরা হলেন কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ, লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল এএম রাশেদ চৌধুরী, রিসালদার মোসলেম উদ্দিন, লে. কর্নেল এসএইচ নূর চৌধুরী।

আপনার মতামত লিখুন :