হামলার শিকার ইঞ্জিনিয়ারের স্ট্যাটাস ভাইরাল, বলেন পুরো ঘটনা কি ঘটেছিলো

প্রকাশিত : ৪ আগস্ট ২০২০

সাধারণ মানুষকে হেনস্তা এবং মারধরের অভিযোগে কথিত টিকটক স্টার অপুকে এক সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে উত্তরা মডেল থানা পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অপুর বিরুদ্ধে গত রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরা ছয় নম্বর সেক্টর এলাকার স্থানীয় লোকজনকে মারধর করার অভিযোগে একটি মামলা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

মারধরের শিকার একজন হলেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হাসিবুল হক। তিনি কথিত অপু বাহিনীর উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এটি ইতোমধ্যে ভাইয়াল হয়েছে।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, গত ২ অগাস্ট, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর পাবলিক কলেজের সামনে। জায়গাটায় স্কুল জীবন থেকে আড্ডা দিয়ে বড় হয়েছি, তাই আমাদের বন্ধু মহলে জায়গাটা চেম্বার নামে পরিচিত। দিনে যে যাই করি, বিকেল সন্ধ্যায় কম বেশি সবাই একবার হলেও চেম্বারে ঘুরে না গেলে, মনে হয় দিনের কোন একটা কাজ বাকি রয়ে গেছে!

প্রতিদিনের মতই কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলাম। হটাৎ দেখলাম ৬০/৭০ জনের একটা বিশাল দল সামনে দিয়ে হেটে গিয়ে একটু সামনে কার সাথে যেন মিট করলো, খুব উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে। দূর থেকে দেখে একজনকে চেনা গেল, যাকে টিকটক লাইকি ইউজারদের কল্যাণে পুরো বাংলাদেশ চেনে এখন! অপু ভাই!

নাম শুনেই মন চায় উঠে দাঁড়ায় একটা সালাম দেই! এদের উদ্ভট চুলের কাটিং আর কালার, আর জবড়জঙ কাপড় চোপড় দেখে এদের চিন্তে খুব একটা সমস্যা হয় না। বুঝলাম হয়তো গেট টুগেদার টাইপের কিছু। এরা প্রায় সময় আমাদের গাড়ি বাইকের সামনে এসেও ভিডিও শ্যুট করে। আমরা এদের একেবারেই চিনি না, পাত্তাও দেই না। স্বাধীন দেশ, এরা যা মনে চায় করুক, আমরা আমাদের মতই থাকি!

একটু পর বন্ধু রবিন গাড়ি নিয়ে আসলে, ওর গাড়ি নিয়ে আরো ৩ বন্ধু স্বজল, তুষার আর মুরাদ ঘুরতে বের হয়। মোড় ঘুরে একটু সামনেই ওই টিক্টক/ লাইকি বাহিনী পুরো রাস্তা দখল করে আড্ডা দিচ্ছিলো। গাড়ির হর্ন দিতেই উনারা খুব বিরক্ত। উনাদের বাবার রাস্তা তো, তাই আরকি। গাড়ির দরজা খুলে রবিন শুধু প্রশ্ন করে, সমস্যাটা কি? ব্যাস! কোন কথা বার্তা ছাড়া সবাই হামলে পড়লো ওর উপর। আমি, শাকির আর তারেক দৌড়ায় গাড়ির কাছে পৌছাতে পৌছাতে অলরেডি রবিনের মাথা ফাটায় ফেলছে, তাও মারতেছে।

শাকির রবিনকে ছুটাইতে গেল ওরেও ৫/৬ জন ধরে নিয়ে মেরে মাথা ফাটায় দিলো। রবিনরে ছুটানোর ট্রাই করতেছি, কিন্তু মারা বন্ধ হয় না, হেলমেট, কাঠ, হাত যে যেটা দিয়ে পারতেছে মারতেছে! বন্ধু তুষার সুযোগ বুঝে গাড়িটাকে একটু দুরে নিয়ে চলে যায়, তাই গাড়ি ভাঙার সুযোগটা পায় না ওরা!

৬০/৭০ জন মিলে ৭ জনকে মারলে যা হয় আরকি, উপর্ঝুপরি মাইর ঝুটলো কপালে! মার খাওয়ার পর প্রথম কতক্ষন তো বুঝিনি কে মারলো, কেন মারলো? কিছুই তো করলাম না, তাহলে মারলো কেন?

আমরা যারা ছিলাম, তাদের প্রত্যেকের বয়স ৩০ প্লাস। সবাই ফুল টাইম প্রফেশনে আছি, কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ বা ব্যবসায়ী। আমরা তো কেউ মারামারির বয়স, মন মানসিকতা, অবস্থা, অবস্থান কোন কিছুতেই নেই। ইভেন ওরা এই রকম করবে জানলে হয়তো ওদিক দিয়ে যেতামই না!

যখন ওরা মারছে, ওদের শুধু বল্লাম, কার গায়ে হাত দিছস তোরা জানস না! সাথে সাথে একজন উড়ে এসে হেলমেট দিয়ে ঘাড় পিঠের উপর বসায় দিয়ে বলল, “পুরা বাংলাদেশ চালাই আমরা, ৫ মিনিটে ৫০০ মানুষ খাড়া করায় দিমু, কইছ তোগো বাপেরে, এই বাপ মাইরা থুয়া গেছে…।”

এরা নরমাল না ভাই, এদের সবার বয়স ২০-২৫ এর মধ্যে। এরা পাগলের মতন বেপরোয়া হিট করছে, হিট করেই ২/৩ মিনিটের মধ্যে রেল লাইন দিয়ে সব ভ্যানিশ! এরা একজনও স্বাভাবিক ও সুস্থ মানসিকতায় ছিল না। যে জায়গাটাতে ছোট বেলা থেকে বড় হইছি, যেখানে এলাকার মুরুব্বি থেকে শুরু করে টং দোকানদার পর্যন্ত সবাই আমাদের চেনে, জানে; যেখানে সুখে দুঃখে সবাই একসাথে বছরের পর বছর বেড়ে উঠছি, সেই জায়গায় কতগুলো সামাজিক প্রতিবন্ধির কাছে কোন কারণ ছাড়া এভাবে মাইর খাবো, কোন দিন ভাবতে পারি নাই! এ যে কত বড় অপমান।

কিছুক্ষণ পর, এলাকার সব বন্ধু বান্ধব মিলে ওদের অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কাউকে পাইনি। দুইটা থানার বেশ কয়েকটা টিম অলরেডি হন্যে হয়ে খুঁজতেছে ওদের। ১ জনকে ধরেছেও অলরেডি। রবিন আর শাকিরকে এমন মারা মারছে, আমার চোখে খালি এটাই ভাসতেছে! ট্রাস্ট মি ওদের জায়গায় আমি হলে হয়তো স্পট ডেড হয়ে যাইতাম।

আমার প্রশ্ন হলো এরা কারা? এরা এমন কেন? আমাদের দোষটা কি? রাস্তা বন্ধ করে যা মনে চায় করবে, গাড়ির হর্নও বাজাতে পারবো না?
কোন ভদ্র ঘরের সভ্য সমাজের ছেলে মেয়ে নিশ্চই রাস্তা ঘাটে এইসব টিকটক লাইকি করে না। তাহলে অপু ভাই টাইপ কতগুলা বস্তির সামাজিক প্রতিবন্ধির কাছে আমরা বাকি সবাই কি জিম্মি হয়ে গেলাম? এদের অনেক ফ্যান ফলোয়ার আছে তাই?

আপনাদের এই সমাজ ব্যবস্থাকে আমার লাল সালাম। একটু নিছক বিনোদন, খারাপ কি? এই চিন্তা ভাবনা করে অনেকেই এসব প্রতিবন্ধিদের ফেমাস বানিয়ে সমাজের ক্যান্সার বানিয়ে দিচ্ছেন। এখনই যদি টিকটক, লাইকি এগুলো নিয়ে চিন্তা ভাবনা না করা হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই হয়তো এরা আরও ভয়ানক বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে! আজ আমরা ভিকটিম, আগামীকাল আপনারা কেউ! মার খাবেন, অপমান হবেন কিন্তু কিছু করতে পারবেন না।

মামলা, বিচার কি লাভ ভাই? নিজের ঘরের সামনে মার তো খেয়েই ফেল্লাম, অপমান যা হবার তা তো হয়েই গেলাম! ভাই সমতুল্য ফ্রেন্ডের মাথা ফেটে সারা গা বেয়ে রক্ত ঝড়লো, এই রক্ত ফেরত দিতে পারবেন? বাদ দেন ভাই, তার চেয়ে আপনারা বরং ওদের ভিডিওগুলো শেয়ার দিয়ে ওদের আরেকটু ফেমাস বানিয়ে দিন।

ভাল থাকুক টিকটক আর লাইকি ওয়ালা মানুষগুলো! আর শুভবুদ্ধি? এসব উদয়ের প্রয়োজন এদেশে নেই।

সাধারণ মানুষকে হেনস্তা এবং মারধরের অভিযোগে কথিত টিকটক স্টার অপুকে এক সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে উত্তরা মডেল থানা পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অপুর বিরুদ্ধে গত রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরা ছয় নম্বর সেক্টর এলাকার স্থানীয় লোকজনকে মারধর করার অভিযোগে একটি মামলা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

মারধরের শিকার একজন হলেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হাসিবুল হক। তিনি কথিত অপু বাহিনীর উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এটি ইতোমধ্যে ভাইয়াল হয়েছে।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, গত ২ অগাস্ট, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা। উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর পাবলিক কলেজের সামনে। জায়গাটায় স্কুল জীবন থেকে আড্ডা দিয়ে বড় হয়েছি, তাই আমাদের বন্ধু মহলে জায়গাটা চেম্বার নামে পরিচিত। দিনে যে যাই করি, বিকেল সন্ধ্যায় কম বেশি সবাই একবার হলেও চেম্বারে ঘুরে না গেলে, মনে হয় দিনের কোন একটা কাজ বাকি রয়ে গেছে!

প্রতিদিনের মতই কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলাম। হটাৎ দেখলাম ৬০/৭০ জনের একটা বিশাল দল সামনে দিয়ে হেটে গিয়ে একটু সামনে কার সাথে যেন মিট করলো, খুব উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে। দূর থেকে দেখে একজনকে চেনা গেল, যাকে টিকটক লাইকি ইউজারদের কল্যাণে পুরো বাংলাদেশ চেনে এখন! অপু ভাই!

নাম শুনেই মন চায় উঠে দাঁড়ায় একটা সালাম দেই! এদের উদ্ভট চুলের কাটিং আর কালার, আর জবড়জঙ কাপড় চোপড় দেখে এদের চিন্তে খুব একটা সমস্যা হয় না। বুঝলাম হয়তো গেট টুগেদার টাইপের কিছু। এরা প্রায় সময় আমাদের গাড়ি বাইকের সামনে এসেও ভিডিও শ্যুট করে। আমরা এদের একেবারেই চিনি না, পাত্তাও দেই না। স্বাধীন দেশ, এরা যা মনে চায় করুক, আমরা আমাদের মতই থাকি!

একটু পর বন্ধু রবিন গাড়ি নিয়ে আসলে, ওর গাড়ি নিয়ে আরো ৩ বন্ধু স্বজল, তুষার আর মুরাদ ঘুরতে বের হয়। মোড় ঘুরে একটু সামনেই ওই টিক্টক/ লাইকি বাহিনী পুরো রাস্তা দখল করে আড্ডা দিচ্ছিলো। গাড়ির হর্ন দিতেই উনারা খুব বিরক্ত। উনাদের বাবার রাস্তা তো, তাই আরকি। গাড়ির দরজা খুলে রবিন শুধু প্রশ্ন করে, সমস্যাটা কি? ব্যাস! কোন কথা বার্তা ছাড়া সবাই হামলে পড়লো ওর উপর। আমি, শাকির আর তারেক দৌড়ায় গাড়ির কাছে পৌছাতে পৌছাতে অলরেডি রবিনের মাথা ফাটায় ফেলছে, তাও মারতেছে।

শাকির রবিনকে ছুটাইতে গেল ওরেও ৫/৬ জন ধরে নিয়ে মেরে মাথা ফাটায় দিলো। রবিনরে ছুটানোর ট্রাই করতেছি, কিন্তু মারা বন্ধ হয় না, হেলমেট, কাঠ, হাত যে যেটা দিয়ে পারতেছে মারতেছে! বন্ধু তুষার সুযোগ বুঝে গাড়িটাকে একটু দুরে নিয়ে চলে যায়, তাই গাড়ি ভাঙার সুযোগটা পায় না ওরা!

৬০/৭০ জন মিলে ৭ জনকে মারলে যা হয় আরকি, উপর্ঝুপরি মাইর ঝুটলো কপালে! মার খাওয়ার পর প্রথম কতক্ষন তো বুঝিনি কে মারলো, কেন মারলো? কিছুই তো করলাম না, তাহলে মারলো কেন?

আমরা যারা ছিলাম, তাদের প্রত্যেকের বয়স ৩০ প্লাস। সবাই ফুল টাইম প্রফেশনে আছি, কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ বা ব্যবসায়ী। আমরা তো কেউ মারামারির বয়স, মন মানসিকতা, অবস্থা, অবস্থান কোন কিছুতেই নেই। ইভেন ওরা এই রকম করবে জানলে হয়তো ওদিক দিয়ে যেতামই না!

যখন ওরা মারছে, ওদের শুধু বল্লাম, কার গায়ে হাত দিছস তোরা জানস না! সাথে সাথে একজন উড়ে এসে হেলমেট দিয়ে ঘাড় পিঠের উপর বসায় দিয়ে বলল, “পুরা বাংলাদেশ চালাই আমরা, ৫ মিনিটে ৫০০ মানুষ খাড়া করায় দিমু, কইছ তোগো বাপেরে, এই বাপ মাইরা থুয়া গেছে…।”

এরা নরমাল না ভাই, এদের সবার বয়স ২০-২৫ এর মধ্যে। এরা পাগলের মতন বেপরোয়া হিট করছে, হিট করেই ২/৩ মিনিটের মধ্যে রেল লাইন দিয়ে সব ভ্যানিশ! এরা একজনও স্বাভাবিক ও সুস্থ মানসিকতায় ছিল না। যে জায়গাটাতে ছোট বেলা থেকে বড় হইছি, যেখানে এলাকার মুরুব্বি থেকে শুরু করে টং দোকানদার পর্যন্ত সবাই আমাদের চেনে, জানে; যেখানে সুখে দুঃখে সবাই একসাথে বছরের পর বছর বেড়ে উঠছি, সেই জায়গায় কতগুলো সামাজিক প্রতিবন্ধির কাছে কোন কারণ ছাড়া এভাবে মাইর খাবো, কোন দিন ভাবতে পারি নাই! এ যে কত বড় অপমান।

কিছুক্ষণ পর, এলাকার সব বন্ধু বান্ধব মিলে ওদের অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কাউকে পাইনি। দুইটা থানার বেশ কয়েকটা টিম অলরেডি হন্যে হয়ে খুঁজতেছে ওদের। ১ জনকে ধরেছেও অলরেডি। রবিন আর শাকিরকে এমন মারা মারছে, আমার চোখে খালি এটাই ভাসতেছে! ট্রাস্ট মি ওদের জায়গায় আমি হলে হয়তো স্পট ডেড হয়ে যাইতাম।

আমার প্রশ্ন হলো এরা কারা? এরা এমন কেন? আমাদের দোষটা কি? রাস্তা বন্ধ করে যা মনে চায় করবে, গাড়ির হর্নও বাজাতে পারবো না?
কোন ভদ্র ঘরের সভ্য সমাজের ছেলে মেয়ে নিশ্চই রাস্তা ঘাটে এইসব টিকটক লাইকি করে না। তাহলে অপু ভাই টাইপ কতগুলা বস্তির সামাজিক প্রতিবন্ধির কাছে আমরা বাকি সবাই কি জিম্মি হয়ে গেলাম? এদের অনেক ফ্যান ফলোয়ার আছে তাই?

আপনাদের এই সমাজ ব্যবস্থাকে আমার লাল সালাম। একটু নিছক বিনোদন, খারাপ কি? এই চিন্তা ভাবনা করে অনেকেই এসব প্রতিবন্ধিদের ফেমাস বানিয়ে সমাজের ক্যান্সার বানিয়ে দিচ্ছেন। এখনই যদি টিকটক, লাইকি এগুলো নিয়ে চিন্তা ভাবনা না করা হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই হয়তো এরা আরও ভয়ানক বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে! আজ আমরা ভিকটিম, আগামীকাল আপনারা কেউ! মার খাবেন, অপমান হবেন কিন্তু কিছু করতে পারবেন না।

মামলা, বিচার কি লাভ ভাই? নিজের ঘরের সামনে মার তো খেয়েই ফেল্লাম, অপমান যা হবার তা তো হয়েই গেলাম! ভাই সমতুল্য ফ্রেন্ডের মাথা ফেটে সারা গা বেয়ে রক্ত ঝড়লো, এই রক্ত ফেরত দিতে পারবেন? বাদ দেন ভাই, তার চেয়ে আপনারা বরং ওদের ভিডিওগুলো শেয়ার দিয়ে ওদের আরেকটু ফেমাস বানিয়ে দিন।

ভাল থাকুক টিকটক আর লাইকি ওয়ালা মানুষগুলো! আর শুভবুদ্ধি? এসব উদয়ের প্রয়োজন এদেশে নেই।

আপনার মতামত লিখুন :